শনিবার, অক্টোবর ৩

নিজস্ব প্রতিবেদক: নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলায় পুকুরের পানিতে ডুবে আব্দুল আলিম নামে সাড়ে ছয় বছর বয়সী এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (১২ আগস্ট) দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার ধলামূলগাঁও ইউনিয়নের জামুদ গ্রামে হৃদয়বিদারক এই ঘটনা ঘটে। নিহত শিশু আব্দুল আলিম ওই গ্রামের মো. সুমন মিয়ার ছেলে।

স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, বুধবার সকালে খাবার শেষে আব্দুল আলিম বাড়ির উঠানে সমবয়সী অন্য শিশুদের সঙ্গে খেলাধুলা করছিল। ওই সময় তার বাবা সুমন মিয়া কৃষিকাজের জন্য মাঠে চলে যান। অন্যদিকে, মা প্রতিবেশীর বাড়িতে গিয়েছিলেন হাঁসের খাবার সংগ্রহ করতে। পরিবারের সদস্যদের এই অগোচরে খেলতে খেলতে বাড়ির সামনের নিজ পুকুরে পড়ে যায় শিশুটি।

জানা যায়, শিশুটি যখন পুকুরে পড়ে যায়, তখন তার সঙ্গে খেলা করছিল সাত বছর বয়সী চাচাতো ভাই মোস্তাকিম। সে আলিমকে পুকুরের পানিতে হাবুডুবু খেতে দেখলেও বয়সের কারণে বিষয়টির ভয়াবহতা তাৎক্ষণিকভাবে বুঝে উঠতে পারেনি।

মা বাড়িতে ফিরে আসার পর আলিমকে দেখতে না পেয়ে চারদিকে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরিবারের লোকজন ও প্রতিবেশীরাও সম্ভাব্য সব জায়গায় তল্লাশি চালান। একপর্যায়ে শিশু মোস্তাকিম পুকুরে পড়ার বিষয়টি জানালে সেখানে খোঁজ শুরু হয়। পরে শিশুটির দূরসম্পর্কের নানা বাবুল মিয়া পুকুরের পানিতে নেমে তল্লাশি চালিয়ে আলিমের নিথর দেহ উদ্ধার করেন। তাকে উদ্ধার করার পর দেখা যায় ততক্ষণে শিশুটির মৃত্যু হয়েছে।

খবর পেয়ে পূর্বধলা থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। এ বিষয়ে পূর্বধলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, “খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে। তবে এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো ধরনের অভিযোগ ছিল না। তাই তাদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিনা ময়নাতদন্তে আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।”

এদিকে, এই শিশুটির এমন আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবারে চলছে শোকের মাতম। পুরো জামুদ গ্রামজুড়ে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।

Share.

মোঃ আব্দুল আওয়াল হিমেল
প্রকাশক ও সম্পাদক 
দ্যা মেইল বিডি ডট কম
মোবাইল: +৮৮০ ১৩১৪-৫২৪৭৪৯
ইমেইল: themailbdnews@gmail.com
ঠিকানা: ১০২/ক, রোড নং-০৪, পিসি কালচার হাউজিং সোসাইটি, শ্যামলী, ঢাকা-১২০৭

নিউজরুম: +৮৮০ ১৩১৪-৫২৪৭৪৯
জরুরী প্রয়োজন অথবা টেকনিক্যাল সমস্যা: +৮৮০ ১৮৩৩-৩৭৫১৩৩

© ২০২৬ The Mail Bd.. Designed and developed by Saizul Amin.
Exit mobile version