রুহুল আমিন,ডিমলা(নীলফামারী)
সার, বীজ, কীটনাশক, সেচ ও শ্রমিক খরচ বাড়লেও ধানের দাম না বাড়ায় নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার বোরো কৃষকেরা লোকসানের মুখে পড়েছেন। ফলে অনেক কৃষক উৎপাদন খরচই তুলতে হিমশিম খাচ্ছেন।
কৃষকদের হিসাব অনুযায়ী, প্রতি বিঘা জমিতে ধান আবাদে গড়ে প্রায় ২০ হাজার টাকা খরচ হচ্ছে। লিজ জমিতে এই খরচ আরও বেশি। অথচ প্রতি বিঘায় ১৮–২০ মণ ধান উৎপাদন হলেও বর্তমান বাজারদরে (মণ ৯০০–৯৬০ টাকা) লাভ করা সম্ভব হচ্ছে না।
কৃষকদের অভিযোগ, ডিজেল, সার ও শ্রমিকের খরচ কয়েকগুণ বাড়লেও ধানের ন্যায্যমূল্য মিলছে না। এতে অনেকেই ঋণ করে চাষাবাদ করেও লোকসানে পড়ছেন।
নাউতারা ইউনিয়নের কৃষক হযরত আলী বলেন, “ধান বিক্রি করে খরচই ওঠে না, লাভ তো দূরের কথা।”
অন্য কৃষক মজিবর রহমান বলেন, “বর্তমান দামে বড় লোকসান হচ্ছে, মণপ্রতি ১৫০০ টাকা হলে কিছুটা লাভ হতো।”
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি মৌসুমে ডিমলায় ১১ হাজার ২৮০ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ হয়েছে। তবে ফলন ভালো হলেও দামের অস্থিরতায় কৃষকের উদ্বেগ বাড়ছে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জানান, উৎপাদন খরচ কমাতে যন্ত্র ব্যবহার বাড়ানো হচ্ছে এবং সরকারি গুদামে ধান সংগ্রহ কার্যক্রম চলবে।



