ইবি প্রতিনিধি:
দেশের গুচ্ছভুক্ত ২০ টি সাধারণ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘এ’ ইউনিট তথা বিজ্ঞান শাখার ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) কেন্দ্রে আসা ভর্তিচ্ছুদের সহযোগিতা ও পরীক্ষা কেন্দ্রের শৃঙ্খলা রক্ষায় নিরলসভাবে কাজ করেছেন বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোর (বিএনসিসি) এর সেনা ও নৌ শাখার সদস্যরা । এ ইউনিট তথা বিজ্ঞান শাখার পরীক্ষায় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রে অংশ নিয়েছে প্রায় ১১ হাজার ১৮৬ জন পরিক্ষার্থী।
শিক্ষার্থীদের সহযোগিতায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে চার স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা করা হয়েছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন শিক্ষার্থীদের সহযোগিতায় কাজ করেছেন। তবে শিক্ষার্থীদের সার্বিক নির্দেশনা ও সহযোগিতায় নিরলসভাবে কাজ করেছে বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোরের সদস্যরা। সরেজমিন দেখা যায়, ক্যাম্পাসের প্রতিটি মোড়ে বিএনসিসি সদস্যরা দায়িত্বরত ছিলেন। সংগঠন সদস্যরা ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের দিকনির্দেশনা প্রদান, কেন্দ্রে প্রবেশের আগে তল্লাশি চালানো, হলে প্রবেশের লাইন ঠিক করা, বিভিন্ন ফটকে নিরাপত্তা প্রদান, পরীক্ষার্থীদের আসবাবপত্র হেফাজতে রাখা, শিক্ষার্থীদের হলে পৌঁছে দেয়াসহ সব ধরনের সহযোগিতা করেছেন। এছাড়া কক্ষ দেখিয়ে দেওয়া, অসুস্থ হলে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া ও প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের অতিরিক্ত সেবা দেওয়ার কাজও করছে সংগঠনের সদস্যরা।
সংগঠনের সদস্যরা জানান, স্বেচ্ছাসেবা একটি মহৎ কাজ। এর মাধ্যমে আমরা দেশের সেবা করার সুযোগ পাচ্ছি। আমরা দেশ ও জনগণের সেবার জন্য এই সংগঠনে যুক্ত হয়েছি। বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল পরীক্ষা ও অনুষ্ঠানে আমরা প্রশাসনকে সহযোগিতা করে থাকি। সেই ধারাবাহিকতায় নতুন ভর্তিচ্ছুদের আমরা সহযোগিতা করে যাচ্ছি।” ইবি বিএনসিসি নৌ শাখার সিইউও ইফফাত বৃষ্টি বলেন, প্রতিবছর ভর্তিচ্ছু পরীক্ষার্থীদের সার্বিক সহযোগিতায় বিএনসিসি ক্যাডেট নিয়োজিত থাকে।
পাশাপাশি রোভার স্কাউট দায়িত্ব পালন করে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক থেকে শুরু করে বিভিন্ন মোড়ে এবং প্রতিটা ভবনের সামনে বিএনসিসি ক্যাডেট এবং রোভার স্কাউট সহযোগিতায় থাকে। প্রত্যেক ভর্তিচ্ছু পরীক্ষার্থীকে চেকিং করা হয় যাতে কোন ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক ডিভাইস নিয়ে হলে প্রবেশ করতে না পারে। তিনি আরও বলেন, “পরীক্ষার্থীরা যাতে সুশৃঙ্খলভাবে এবং কম সময়ে সঠিক ভবনে যেতে পারে সে বিষয়ে বিএনসিসি সদস্যরা নিশ্চিত করেন। বিএনসিসি ক্যাডেটরা সবসময় শৃঙ্খলতার সাথে তাদের দায়িত্ব পালন করে আসছে।আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনও আমাদের উপর ভরসা করে দায়িত্ব দিয়েছেন।”

