জলঢাকা নীলফামারী প্রতিনিধি:

নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলায় এলপিজি (লিকুইফায়েড পেট্রোলিয়াম গ্যাস) সিলিন্ডার বিক্রিতে সরকার নির্ধারিত মূল্যের সঙ্গে বাজারদরের অসামঞ্জস্যের অভিযোগ উঠেছে। এতে সাধারণ ভোক্তাদের মধ্যে অসন্তোষ বাড়ছে। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) গত ২ এপ্রিল জারি করা প্রজ্ঞাপনে এপ্রিল মাসের জন্য এলপিজির মূল্য নির্ধারণ করে।

এতে ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৭২৮ টাকা এবং ১২ দশমিক ৫ কেজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৮০১ টাকা নির্ধারণ করা হয়। তবে সরেজমিনে বিভিন্ন এলাকা ঘুরে এবং ভোক্তা ও বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, উপজেলার একাধিক বাজারে ১২ কেজির সিলিন্ডার ১ হাজার ৯০০ থেকে ২ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ডিলার পর্যায় থেকেই খুচরা বিক্রেতাদের কাছে ১২ কেজির সিলিন্ডার ১ হাজার ৮২০ থেকে ১ হাজার ৯০০ টাকায় সরবরাহ করা হচ্ছে, যা সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি। ফলে খুচরা পর্যায়ে মূল্য আরও বেড়ে যাচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক উপজেলার কয়েকজন খুচরা বিক্রেতারা জানান, ডিলার পর্যায় থেকেই তুলনামূলক বেশি দামে পণ্য উত্তোলন করতে হচ্ছে।

ফলে সরকার নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি করা তাদের পক্ষে কঠিন হয়ে পড়ছে। এবিষয়ে উপজেলার একাধিক ভোক্তার সাথে কথা হলে তারা জানান, নির্ধারিত মূল্য থাকা সত্ত্বেও অধিক দামে গ্যাস কিনতে বাধ্য হচ্ছেন তারা। এতে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো বাড়তি আর্থিক চাপে পড়ছে। এ বিষয়ে কথা হয় জেলা এলপিজি সভাপতি এ.বি.এম মঞ্জরুল আলম সিয়ামের সাথে তিনি জানান, বর্তমানে গ্যাস সরবরাহ কিছুটা সংকটময়। সীমিত সংখ্যক কোম্পানির মাধ্যমে গ্যাস সরবরাহ চালু থাকলেও কোম্পানি পর্যায়ে ডিও রেট ১ হাজার ৮০০ থেকে ১ হাজার ৮১৫ টাকার মধ্যে রয়েছে।

এর সঙ্গে পরিবহনসহ অন্যান্য খরচ যুক্ত হয়ে এলাকায় পৌঁছাতে অতিরিক্ত ব্যয় বাড়ছে। তিনি আরও বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং ভোক্তাদের ভোগান্তি কমাতে জেলা পর্যায়ে ভোক্তা ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলোচনা করে একটি সমঝোতায় পৌঁছানো হয়েছে। সেই অনুযায়ী, সংকটকালীন সময়ে পাইকারি পর্যায়ে গ্যাসের দাম সর্বোচ্চ ১ হাজার ৯০০ টাকা এবং খুচরা পর্যায়ে ২ হাজার টাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

জেলা জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো: শামসুল আলম বলেন, সরকার নির্ধারিত মূল্য বাস্তবায়নে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। অনিয়ম পাওয়া গেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জায়িদ ইমরুল মোজাক্কিনের বক্তব্য নেওয়ার জন্য মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি, ফলে তার বক্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি

Share.
Leave A Reply

মোঃ আব্দুল আওয়াল হিমেল
প্রকাশক ও সম্পাদক 
দ্যা মেইল বিডি ডট কম
মোবাইল: +৮৮০ ১৩১৪-৫২৪৭৪৯
ইমেইল: themailbdnews@gmail.com
ঠিকানা: ১০২/ক, রোড নং-০৪, পিসি কালচার হাউজিং সোসাইটি, শ্যামলী, ঢাকা-১২০৭

নিউজরুম: +৮৮০ ১৩১৪-৫২৪৭৪৯
জরুরী প্রয়োজন অথবা টেকনিক্যাল সমস্যা: +৮৮০ ১৮৩৩-৩৭৫১৩৩

© ২০২৬ Themailbd.com. Designed and developed by Saizul Amin.
Exit mobile version