তিমির বনিক,মৌলভীবাজার প্রতিনিধি:
শারীরিক অক্ষম নির্যাতিত সাংবাদিক আব্দুল বাছিত খান মানবেতর জীবন-যাপন করছেন। অনেকটা বিনা চিকিৎসায় বাড়িতে বিছানায় শুয়ে বসে ধুঁকছেন মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার আব্দুল বাছিত খান। একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তির শারীরিক অক্ষমতার কারণে তার পরিবারের নেমে এসেছে চরম অনিশ্চয়তা আর অভাব অনটনর জীবনযাপন। অনেকটা মানবেতর জীবন-যাপন কাটাচ্ছেন পরিবার নিয়ে।
আব্দুল বাছিত খান কমলগঞ্জ উপজেলার ১নং রহিমপুর ইউনিয়নের রামচন্দ্রপুর গ্রামের মৃত আব্দুল মালিকের ছেলে। তিনি এক যুগেরও বেশী সময় ধরে সংবাদকর্মী হিসেবে সুনামের সাথে কাজ করে যাচ্ছেন। সন্ত্রাস ও অন্যায় অত্যাচারের বিরুদ্ধে ধাপিয়ে বেড়িয়েছেন,অন্যায় অপকর্মের সংবাদ প্রকাশ করায় বিগত ১৩ই আগস্ট ২০২২ ইং কমলগঞ্জের রহিমপুর ইউনিয়নের একদল বিপথগামী সন্ত্রাসী প্রাণে হত্যার উদ্যেশ্যে কুপিয়ে হাত পা প্রায় বিচ্ছিন্ন করে দেয় এবং মৃত ভেবে তাকে ফেলে যায়। তাকে উদ্ধার করে সিলেট এমএজি ওসমানী হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা দেওয়া হয়, প্রায় দুই মাস তিনি হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরেন। এরপর থেকে একাধিকার তার শরীরে অস্ত্রপাচার করা হয়েছে।
ঋন, কর্জ এবং মানুষের সাহায্য সহযোগীতা নিয়ে প্রায় ৭লাখ টাকা চিকিৎসায় ব্যয় হয়েছে। এখনও ঋন,কর্জ করে তিনি চিকিৎসা চালিয়ে যাচ্ছেন। ডান হাত বিকল এবং বাম পায়ে রড, পাত ও বাম হাতে পাত লাগানো রয়েছে যা অসহ্য যন্ত্রনায় ধুকছেন তিনি। অস্র পাচার করতে চিকিৎসকরা পরামর্শ দিয়েছেন। প্রায় ৩ লাখ টাকা লাগবে অস্রপাচার ও অন্যান্য খরচ বাবত যা তার পক্ষে যোগান দেয়া সম্ভব নয়।
মা ভাই বোন স্ত্রী সন্তানের একমাত্র উপার্জনের ব্যক্তিটি আজ পরিবারের বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে। অতিব মানবেতর জীবন-যাপন করে কোন প্রকার চলছে সংসার। হামলার ঘটনায় চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে বিজ্ঞ আদালতে মামলা চলমান রয়েছে। মৌলভীবাজার অনলাইন প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক মশাহিদ আহমদ জানান, আব্দুল বাছিত খান দীর্ঘদিন ধরেই শারীরিক ভাবে অক্ষম।
চিকিৎসার অভাবে তার জীবন ক্রমশ দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। অর্থের অভাবে চিকিৎসা করাতে পারছেন না, দেশ-বিদেশের দানশীল ব্যক্তিরা এগিয়ে আসলে চিকিৎসাসহ তার পরিবার আলোর মুখ দেখবে। যোগাযোগ: আব্দুল বাছিত খান, মোবাইল :বিকাশ/নগদ-০১৭১৬৪৬১২৭৬


