স্বীকৃতি বিশ্বাস, যশোরঃ
সদ্য সমাপ্ত জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ৮৯ যশোর-৫ সংসদীয় আসনে মনিরামপুরে রাজনৈতিক সমীকরণে নতুন মাত্রা যুক্ত হয়েছে। প্রথমে মনিরামপুর উপজেলা বিএনপি সভাপতি এ্যাড. শহীদ ইকাবাল হোসেনকে নমিনেশন দিয়ে পরিবর্তন করে জোটের রশিদ ওয়াক্কাসকে নমিনেশন দেওয়ায় মনিরামপুরের রাজনীতিতে দ্বিধাবিভক্তর মেরুকরণ শুরু হয়।
স্থানীয় বিএনপির নেতাদের অভ্যন্তরীণ বহুবিভক্তি ও কর্মীদের অসন্তোষের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী জামায়াতে ইসলামের অ্যাড. গাজী এনামুল হকের সহজেই নির্বাচনের বৈতরণি পার হয়েছেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এই আসনে বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দল নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি করেছে।
সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে জামায়াতে ইসলামী তৃণমূল পর্যায়ে সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদার এবং ভোটারদের আস্থা অর্জনে তৎপর রয়েছে। আর এ ঐতিহাসিক বিজয় ধরে রাখতে ও জামায়াতে নেতা-কর্মীসহ সর্বসাধারণের আকাঙ্ক্ষার মূল্যায়নে বৃহত্তর মনিরামপুর উপজেলার ১৭ টি ইউনিয়ন ও ১ টি পৌরসভার ১২৮ টি কেন্দ্রের ভোটারদের সাথে গতকাল শনিবার (১৪ ই ফেব্রুয়ারি) মতবিনিময় সভা করেছেন।
জামায়াতে ইসলামের মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট গাজী এনামুল হকের সাম্প্রতিক সফর ঘিরে নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে। সফরকালে এ্যাড. গাজী এনামুল হক বক্তব্যে বলেন, স্থানীয় উন্নয়ন, শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী নির্মূলসহ সুশাসন প্রতিষ্ঠার উপর গুরুত্ব আরোপ করবেন। এ্যাড: গাজী এনামুল হক বলেন, “মনিরামপুরের মানুষ পরিবর্তন চায়। আমরা ন্যায়ভিত্তিক সমাজব্যবস্থা ও উন্নয়নমুখী রাজনীতি প্রতিষ্ঠায় কাজ করতে চাই। দলমত নির্বিশেষে সকলকে সঙ্গে নিয়ে একটি সমৃদ্ধ ও শান্তিপূর্ণ মনিরামপুর গড়ে তুলতে চাই।”
এছাড়া মনিরামপুরের পূর্ব এলাকার দীর্ঘদিন দিনের স্থায়ী জলাবদ্ধতা নিরসনসহ মৎস্য ঘের কেন্দ্র করে স্থানীয় জনদূর্ভোগসহ ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রাখতে বদ্ধ পরিকর থাকবেন এবং যদি কোন গোষ্ঠী সামাজিক সম্প্রীতি নষ্ট করে তবে কঠোর হাতে দমনের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। এ সময় উপস্থিত নেতৃবৃন্দ মনিরামপুরে সংগঠনকে আরও সুসংগঠিত ও শক্তিশালী করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
স্থানীয়দের ধারণা, বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে মনিরামপুরে নতুন ইতিহাস রচনার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এখন দেখার বিষয়, শেষ পর্যন্ত মাঠের রাজনীতিতে কোন দল কতটা সংগঠিত ও কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।যশোর- ৫ এ বিএনপির বহু বিভক্তিই জামায়াতে ইসলামের এ্যাড. গাজী এনামুল হকের সহজে বৈতরণি পার সদ্য সমাপ্ত জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ৮৯ যশোর-৫ সংসদীয় আসনে মনিরামপুরে রাজনৈতিক সমীকরণে নতুন মাত্রা যুক্ত হয়েছে।
প্রথমে মনিরামপুর উপজেলা বিএনপি সভাপতি এ্যাড. শহীদ ইকাবাল হোসেনকে নমিনেশন দিয়ে পরিবর্তন করে জোটের রশিদ ওয়াক্কাসকে নমিনেশন দেওয়ায় মনিরামপুরের রাজনীতিতে দ্বিধাবিভক্তর মেরুকরণ শুরু হয়।স্থানীয় বিএনপির নেতাদের অভ্যন্তরীণ বহুবিভক্তি ও কর্মীদের অসন্তোষের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী জামায়াতে ইসলামের অ্যাড. গাজী এনামুল হকের সহজেই নির্বাচনের বৈতরণি পার হয়েছেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এই আসনে বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দল নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি করেছে। সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে জামায়াতে ইসলামী তৃণমূল পর্যায়ে সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদার এবং ভোটারদের আস্থা অর্জনে তৎপর রয়েছে। আর এ ঐতিহাসিক বিজয় ধরে রাখতে ও জামায়াতে নেতা-কর্মীসহ সর্বসাধারণের আকাঙ্ক্ষার মূল্যায়নে বৃহত্তর মনিরামপুর উপজেলার ১৭ টি ইউনিয়ন ও ১ টি পৌরসভার ১২৮ টি কেন্দ্রের ভোটারদের সাথে গতকাল শনিবার (১৪ ই ফেব্রুয়ারি) মতবিনিময় সভা করেছেন। জামায়াতে ইসলামের মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট গাজী এনামুল হকের সাম্প্রতিক সফর ঘিরে নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে।
সফরকালে এ্যাড. গাজী এনামুল হক বক্তব্যে বলেন, স্থানীয় উন্নয়ন, শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী নির্মূলসহ সুশাসন প্রতিষ্ঠার উপর গুরুত্ব আরোপ করবেন। এ্যাড: গাজী এনামুল হক বলেন, “মনিরামপুরের মানুষ পরিবর্তন চায়। আমরা ন্যায়ভিত্তিক সমাজব্যবস্থা ও উন্নয়নমুখী রাজনীতি প্রতিষ্ঠায় কাজ করতে চাই। দলমত নির্বিশেষে সকলকে সঙ্গে নিয়ে একটি সমৃদ্ধ ও শান্তিপূর্ণ মনিরামপুর গড়ে তুলতে চাই।”
এছাড়া মনিরামপুরের পূর্ব এলাকার দীর্ঘদিন দিনের স্থায়ী জলাবদ্ধতা নিরসনসহ মৎস্য ঘের কেন্দ্র করে স্থানীয় জনদূর্ভোগসহ ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রাখতে বদ্ধ পরিকর থাকবেন এবং যদি কোন গোষ্ঠী সামাজিক সম্প্রীতি নষ্ট করে তবে কঠোর হাতে দমনের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। এ সময় উপস্থিত নেতৃবৃন্দ মনিরামপুরে সংগঠনকে আরও সুসংগঠিত ও শক্তিশালী করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। স্থানীয়দের ধারণা, বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে মনিরামপুরে নতুন ইতিহাস রচনার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এখন দেখার বিষয়, শেষ পর্যন্ত মাঠের রাজনীতিতে কোন দল কতটা সংগঠিত ও কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।


