ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে গাইবান্ধা জেলার পাঁচটি সংসদীয় আসনের চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করেছেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান মোল্লা। ঘোষিত ফলাফলে বিভিন্ন আসনে প্রার্থীদের মধ্যে ভোটের ব্যবধান ও জনসমর্থনের চিত্র স্পষ্টভাবে উঠে এসেছে।
গাইবান্ধা-০১ (সুন্দরগঞ্জ) সুন্দরগঞ্জ উপজেলা আসনে সর্বাধিক ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন জামায়াত মনোনীত প্রার্থী মাজেদুর রহমান মাজেদ। তিনি দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ১,৪০,৭২৬ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী ডা. জিয়াউল ইসলাম জিয়া ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৩৭,৯৯৭ ভোট। জাতীয় পার্টির প্রার্থী ব্যারিস্টার শামীম হায়দার লাঙ্গল প্রতীকে পেয়েছেন ৩৩,৯৭৬ ভোট।
গাইবান্ধা-০২ (সদর) গাইবান্ধা সদর উপজেলা আসনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে আব্দুল করিম পেয়েছেন ১,২২,৬৩০ ভোট। বিএনপির প্রার্থী আনিসুজ্জামান খান বাবু ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৯২,৮৯০ ভোট। জাতীয় পার্টির আব্দুর রশিদ সরকার লাঙ্গল প্রতীকে পেয়েছেন ২১,৩১০ ভোট।
গাইবান্ধা-০৩ (পলাশবাড়ী-সাদুল্লাপুর) পলাশবাড়ী উপজেলা ও সাদুল্লাপুর উপজেলা নিয়ে গঠিত এ আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী অধ্যক্ষ মো. নজরুল ইসলাম লেবু দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে বিজয়ী হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ১,৬২,৪৫৭ ভোট। বিএনপির প্রার্থী ডা. সৈয়দ মইনুল হাসান সাদিক ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১,৩৯,৮৬৪ ভোট। হাতপাখা প্রতীকে আওলাদ হোসেন পেয়েছেন ২,৮৩৫ ভোট।
গাইবান্ধা-০৫ (সাঘাটা-ফুলছড়ি) সাঘাটা উপজেলা ও ফুলছড়ি উপজেলা নিয়ে গঠিত এ আসনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে আব্দুল ওয়ারেছ পেয়েছেন ৮৯,২৭৪ ভোট। বিএনপির প্রার্থী ফারুক আলম সরকার ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৭৩,৪৮৩ ভোট। স্বতন্ত্র প্রার্থী নাহিদুজ্জামান নিশাদ হাঁস প্রতীকে পেয়েছেন ৩৭,৫৮৬ ভোট।
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা জানান, শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ ও ফলাফল প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও গণমাধ্যমকর্মীদের সার্বিক সহযোগিতায় নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব হয়েছে।