দ্যা মেইল বিডি / খবর সবসময়

; ;

দ্যা মেইল বিডি ডট কম

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিবন্ধিত অনলাইন পত্রিকা, নিবন্ধন নং- ১১

মেহেদি হাসান রনি,নীলফামারী জেলা প্রতিনিধি:

নীলফামারীর হাজীগঞ্জে সরকারি খাস জমি অবৈধভাবে দখল, বিক্রি এবং নির্মাণের তদন্তে শেষে উচ্ছেদ করা হবে বলে জানিয়েছে প্রশাসন। জয়ন্ত রায় (পিতা: ব্রোথনাথ রায়) ২১ ডিসেম্বর ২০২৫ হাজীগঞ্জ বাজারে সরকারি খাস জমি অবৈধভাবে দখল করে পাকাঘর নির্মাণ শুরু করেন। বিষয়টি গোড়গ্রাম ইউপি প্রশাসক মো: আলমগীর হোসেনের নির্দেশে ২২ ডিসেম্বর ইউপি সদস্য লালবাবু পরিদর্শন করেন। এ সময় তার বিরুদ্ধে পক্ষপাতমূলক আচরণের অভিযোগ ওঠে।

বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে পুলিশ সুপারের নির্দেশে পুলিশ নির্মাণ কাজ বন্ধ করে। ৩০ ডিসেম্বর ভূমি অফিস উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করলেও এখনো জয়ন্ত রায়ের দখলেই রয়েছে। উল্লেখযোগ্য, জয়ন্ত রায় চার বছর আগে একই এলাকায় সরকারি খাস জমি দখল করে তিনটি পাকা দোকানঘর নির্মাণ করেন। হাজীগঞ্জ বাজারের একই এলাকায় মোঃ আফজাল হোসেন সরকারি খাস জমিতে অবৈধভাবে দোকান মার্কেট নির্মাণ করেন, যেখানে ৮টি দোকানঘর রয়েছে।

এছাড়াও তিনি সরকারি জমি ৫ জনের কাছে বিক্রি করেন। শুধু তাই নয়, সরকারি খাস জমিতে একটি মসজিদ স্থানান্তর করে জমি বিক্রি করেছে। এ ঘটনার প্রতিবাদে ১২ জানুয়ারি ২০২৬ নীলফামারী চৌরঙ্গী মোড়ে শতাধিক সাধারণ মানুষ ও বিভিন্ন সেচ্ছাসেবী সংগঠন মানববন্ধন করে। মানববন্ধন শেষে গণস্বাক্ষর ও স্মারকলিপি অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোঃ সাইদুল ইসলামের কাছে দেওয়া হয়। স্মারকলিপিতে জয়ন্ত রায় ও মোঃ আফজাল হোসেনসহ সকল দখলদার ও সহযোগীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং দ্রুত সরকারি জমি উদ্ধারের দাবি জানানো হয়।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) জানান, বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। ১৩ জানুয়ারি সন্ধ্যায় গোড়গ্রামের তহসিলদার হাজীগঞ্জ বাজারে তদন্ত পরিচালনা করার সময় ব্যবসায়ীরা মোঃ আফজাল হোসেন সরকারি খাস জমি ৫জনের কাছে বিক্রি করেছে সে কখা স্বীকার করে প্রমাণক দেন।

তদন্ত চলাকালে তহসিলদারের পক্ষপাতমূলক আচরণের অভিযোগ ওঠে। সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুবাশ্বিরা আমাতুল্লাহকে মুঠোফোনে জানানো হলে বলেন, জেলা প্রশাসকের নির্দেশে তদন্ত চলছে, প্রয়োজনে নিজেই গিয়ে তদন্ত করবো। পরবর্তীতে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হলে ১৫ জানুয়ারি সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোছা: মলি আক্তার তদন্ত করেন।

নীলফামারী সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোছা: মলি আক্তার বলেন, হাজীগঞ্জ বাজারে সরকারি খাস জমি দখল ও বিক্রির বিষয়টি জেলা প্রশাসন তদারকি করছেন। আমাদের কাছে সুনির্দিষ্ট তথ্য রয়েছে এখানে ছাড় দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই।

কেউ এখন আর্থিক লেনদেন করলে তার ব্যক্তিগত বিষয়, তবে দোকানের জমি বন্দোবস্ত দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। আফজাল হোসেনের সরকারি খাস জমিতে ৭টি দোকান রয়েছে এবং তিনি মসজিদ স্থানান্তরসহ জমি বিক্রি করেছে। তদন্ত শেষে উচ্ছেদ করা হবে। হঠাৎপাড়ার ভূমিহীনদের জমি বন্দোবস্ত দেওয়া হবে।

Share.
Leave A Reply

মোঃ আব্দুল আওয়াল হিমেল
প্রকাশক ও সম্পাদক 
দ্যা মেইল বিডি ডট কম
মোবাইল: +৮৮০ ১৩১৪-৫২৪৭৪৯
ইমেইল: themailbdnews@gmail.com
ঠিকানা: ১০২/ক, রোড নং-০৪, পিসি কালচার হাউজিং সোসাইটি, শ্যামলী, ঢাকা-১২০৭

নিউজরুম: +৮৮০ ১৩১৪-৫২৪৭৪৯
জরুরী প্রয়োজন অথবা টেকনিক্যাল সমস্যা: +৮৮০ ১৮৩৩-৩৭৫১৩৩

© 2026 Themailbd.com. Designed and developed by Saizul Amin.
Exit mobile version