রুহুল আমিন,ডিমলা(নীলফামারী)
নীলফামারীর ডিমলায় জেলা পরিষদ স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থী আল আমিনের ওপর সংঘবদ্ধ হামলার নিন্দা ও দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির নীলফামারী জেলা শাখা। রবিবার (৩০ নভেম্বর) দুপুরে পাঠানো এক বিবৃতিতে সংগঠনের জেলা সভাপতি তাজমুল হাসান সাগর এবং জেলা সেক্রেটারি রেজাউল করিম এই দাবি জানান।
বিবৃতিতে বলা হয়, গত ২৭ নভেম্বর বিকেলে ‘জেলা পরিষদ স্কুল অ্যান্ড কলেজের’ সামনে আল আমিনের ওপর একদল বখাটে অতর্কিতে হামলা চালায়। হামলাকারীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে জখম করে পালিয়ে যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা প্রথমে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয় এবং অবস্থার অবনতি হলে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
আল আমিন জানান, হামলার আগেও বিভিন্ন সময় একই চক্র তাকে হুমকি দিয়ে আসছিল। দিনদুপুরে এমন নৃশংস হামলার ঘটনায় এলাকায় চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। স্থানীয় অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা বলেন, “স্কুল শেষে বাড়ি ফেরাটাও এখন ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে।”
ঘটনার পর আল আমিনের পরিবার থানায় অভিযোগ দিলেও এখন পর্যন্ত মূল হামলাকারী কেউ গ্রেপ্তার হয়নি বলে অভিযোগ ছাত্রশিবিরের। সংগঠনের নেতারা বলেন, “এ ধরনের সন্ত্রাসী তৎপরতা রোধে কঠোর ব্যবস্থা না নিলে শিক্ষার্থী নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাবে।”
ছাত্রশিবির জেলা সভাপতি তাজমুল হাসান সাগর বলেন,
“শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে কেন্দ্র করে এ ধরনের বর্বরোচিত হামলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। অবিলম্বে হামলাকারীদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। একই সঙ্গে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা জোরদার করতে প্রশাসনকে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে।”
সংগঠনের পক্ষ থেকে আহত আল আমিনের চিকিৎসার সার্বিক খোঁজ নেওয়া ও সহমর্মিতা জানানো হয়েছে বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।
স্থানীয়রা মনে করছেন, হামলার ঘটনা তদন্তে আরও গতি আনা জরুরি। দোষীরা গ্রেপ্তার না হলে এলাকায় উত্তেজনা বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।


