রুহুল আমিন,ডিমলা(নীলফামারী)
নীলফামারীর ডিমলায় জেলা পরিষদ স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থী আল-আমীনকে ক্লাসরুমে প্রকাশ্যে ছুরিকাঘাতের ঘটনায় ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে সারাদেশের শিক্ষাঙ্গনে। শুক্রবার রাতে বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদ, ডিমলা উপজেলা শাখার উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
আহত শিক্ষার্থী আল-আমীন (১৬) ডিমলা সদর ইউনিয়নের রামডাঙ্গা গ্রামের বাসিন্দা। প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কলেজের এক প্রাক্তন শিক্ষার্থী হঠাৎ ক্লাসরুমে ঢুকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা চালায়।
সমাবেশে অংশ নেন সংগঠনটির জেলা সভাপতি উদার, সাধারণ সম্পাদক মোঃ রাকিব, উপজেলা সাধারণ সম্পাদক মোঃ মোরসালিন ইসলাম, যুগ্ম সম্পাদক মোঃ আজিনুর রহমানসহ বিভিন্ন নেতা-কর্মী।
বক্তারা বলেন “শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাসের কোনো স্থান নেই। হামলাকারী যেই হোক, দ্রুত গ্রেপ্তার করে কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।”
আরেক বক্তা বলেন,“এমন ঘটনার পর শিক্ষার্থীরা আতঙ্কে থাকে। নিরাপত্তা নীতিমালা জোরদার না করলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে।”
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রবেশ–নিয়ন্ত্রণ, সিসিটিভি, নিরাপত্তা কর্মী মোতায়েন এবং ঝুঁকিপূর্ণ শিক্ষার্থীদের মানসিক সহায়তা বৃদ্ধির দাবি জানান। তারা আরও বলেন,
“আল-আমীনের উন্নত চিকিৎসার সমস্ত ব্যয় রাষ্ট্রকে বহন করতে হবে।”
অভিভাবকরা অভিযোগ করেন,“সন্তানদের নিয়ে এখন ভয় কাটে না। প্রতিষ্ঠানে নিরাপত্তা দুর্বল হলেই এমন ঘটনা বাড়বে।”
একজন অভিভাবক বলেন,
“আমরা চাই প্রশাসন দায়ীদের বিরুদ্ধে উদাহরণযোগ্য ব্যবস্থা নিক, যাতে আর কোনো শিক্ষার্থীর জীবন ঝুঁকিতে না পড়ে।”
ডিমলা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি)ফজলে এলাহী বলেন—
“আমরা ঘটনার পরপরই তদন্ত শুরু করেছি। হামলাকারীকে শনাক্ত করা হয়েছে এবং তাকে গ্রেপ্তারের জন্য বিশেষ অভিযান চলছে। খুব দ্রুতই অভিযুক্তকে আইনের আওতায় আনা হবে।”


