রিয়াদ ইসলাম (জলঢাকা) নীলফামারীঃ
হিমালয় কাছে হওয়ায় উত্তরের সীমান্ত জেলা নীলফামারী জলঢাকা উপজেলায় এবার জেঁকে বসেছে শীত। সেই হাড় কাপানো কনকনে শীতের হিমেল হাওয়া বইতে শুরু করেছে। শীতের সাথে কুয়াশার দাপটও বেশ বেশি।দিনের বেলা সূর্যের দেখা মিললে রেশ নেই তাপে। রাত বাড়ার সাথে সাথে কুয়াশায় ঢাকা পড়ে পুরো উপজেলার সর্বত্র।
শীত বেড়ে যাওয়ায় অস্বস্তিতে পরেছে সল্প আয়ের সাধারণ মানুষ। তাই উষ্ণতা পেতে তারা ঝুঁকেছেন পুরাতন কাপড়ের দোকানে। এতে করে পুরাতন কাপড় বিক্রির ধুম পড়েছে। পুরাতন কাপড়ের চাহিদা বাড়ায় প্রাণ ফিরে পেয়েছে এ সমস্ত পুরাতন কাপুর বিক্রেতেরা।
সরেজমিনে দেখা যায় পৌরশহরের বিভিন্ন স্থানে পুরাতন কাপড়ের মধ্যে সোয়েটার,জ্যাকেট,মোটা গেঞ্জি, ট্রাউজার,গরম টুপি, ছোট ও বড়দের ব্লেজার বিক্রি করতে দেখা গেছে। দামও বেশ হাতের নাগালে।
পৌর শহরের পুরাতন কাপড় বিক্রেতা মো: মিজানুর রহমান জানান, গত বছরের তুলনায় এবার পুরাতন কাপড় বিক্রিতে ভালো সাড়া মিলছে। সামনে শীত বাড়লে আরও বেশি বিক্রি হবে।
উপজেলার বালাগ্রাম ইউনিয়নের ক্রেতা আজিজুল ইসলাম মাত্র ১০০ টাকায় কিনেছেন একটি লম্বা জ্যাকেট, ৫০ টাকায় কিনেছেন একটি মেয়েদের সোয়টার এবং ৮০ টাকায় নিজের জন্য কিনেছেন একটি সার্ট। তিনি জানান পেশায় আমি একজন কৃষক।কৃষি কাজ করে সংসার চালাতে হয়। নতুন কাপড় কিনে ২-৩ হাজার টাকা খরচ করতে চাইনা। শীত কমানো দরকার তাই কিনলাম।
এছারা উপজেলার কাপুড়ের মার্কেট গুলোতেও শীতবস্ত্রের কেনাবেচা জমজমাট লক্ষ্য করা গেছে। শীত যত বাড়বে, ক্রেতাদের আগমনও তত বাড়বে জানান স্থানীয় কাপড় বিক্রেতারা।
কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থী লিটন বলেন, এ অস্থায়ী দোকান থেকে কম দামে পছন্দ মত কাপড় ক্রয় করা যায়। যাদের কাপড় কিনতে আলাদা বাজেট থাকে না তারা এখান থেকে সহজে পছন্দ মত কাপড় ক্রয় করতে পারেন। সাধারণত এ দোকান থেকে শীতের কাপড় ক্রয় করা খুবই সহজলভ্য।



