Site icon দ্যা মেইল বিডি / খবর সবসময়

ভাইরাল ভিডিওকে ‘রিহার্সাল’ দাবি করা সেই ‌আওয়ামী লীগ নেতার জামিন

শ্লীলতাহানির মামলায় আত্মসমর্পণ করে জামিন পেয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) ৫ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও সবুজবাগ থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক চিত্তরঞ্জন দাস।

আজ সোমবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বেগম মাহমুদা আক্তারের আদালতে আত্মসমর্পণ করে তিনি জামিন আবেদন করেন। তার পক্ষে ঢাকা আইনজীবী সমিতির সভাপতি আব্দুল বাতেন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান মামুন প্রমুখ আইনজীবী জামিন শুনানি করেন। রাষ্ট্রপক্ষ থেকে জামিনের বিরোধিতা করা হয়। শুনানি শেষে ৫ হাজার টাকা মুচলেকায় তাকে জামিনের আদেশ দেন আদালত।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আজাদ রহমান গণমাধ্যমকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

গত শুক্রবার রাতে চিত্ত রঞ্জন দাসের আপত্তিকর একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়। তা দেখে দলীয় নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষ তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দা প্রকাশ করেন। তারা বলেন, ‘ব্যক্তি চিত্তরঞ্জন দাসের অনৈতিক কর্মকাণ্ডের দায় দল নেবে না।’

যদিও এরপর দিন চিত্তরঞ্জন দাস গণমাধ্যমকে বলেন, ‘এটি কোনো আপত্তিকর ভিডিও নয়। আমি ওই নারীর সঙ্গে নাটকের রিহার্সাল করেছি।’ তিনি বলেন, ‘এটি মূলত একটি নাটকের সংলাপ। আমার এলাকার বরদেশ্বরী মন্দিরে চিত্রায়িত। ভিডিওটি খেয়াল করলেই বুঝবেন।’

তবে এদিন (গত ১১ সেপ্টেম্বর) ওই নারী সবুজবাগ থানায় চিত্তরঞ্জন দাসের রিুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগে মামলা করেন। তিনি নিজেকে একজন গণমাধ্যমকর্মী বলে এজাহারে উল্লেখ করেছেন।

মামলায় অভিযোগ করা হয়, ‘সবুজবাগ কালীবাড়ি রাস্তা সংলগ্ন ওই নারীর শ্বশুরের দোকান রয়েছে। তার পাশের চা দোকানদার নিজের দোকান সংস্কার করতে চাইলে কাউন্সিলর চিত্তরঞ্জন দাস গরিব চা দোকানদারের কাছে ৪০ হাজার টাকা দাবি করেন। চাঁদার ব্যাপারে সত্যতা যাচাই করার জন্য ওই নারী রাত পৌনে ৮টার দিকে চিত্তরঞ্জন দাসকে মোবাইলে ফোন দেন। চিত্তরঞ্জন দাস তাকে রাত ৯টা থেকে সাড়ে ৯টার মধ্যে তার রাজারবাগ কালীবাড়ি কার্যালয়ে যেতে বলেন। রাত পৌনে ১০টার দিকে ওই নারী স্বামীসহ সেখানে যান। চাঁদার বিষয়ে জানতে চাইলে চিত্তরঞ্জন দাস দুই-চারটি কথা বলে তাকে পাশের কক্ষে বসতে বলেন। এর একটু পরে চিত্তরঞ্জন দাস ওই কক্ষে প্রবেশ করে দরজা বন্ধ করে দেন। ওই নারীকে বসা থেকে উঠে দাঁড়ানোর জন্য বলেন। তিনি উঠে দাঁড়ালে চিত্তরঞ্জন দাস তাকে জড়িয়ে ধরেন এবং তার স্পর্শকাতর স্থানে হাত দেন। নানারকম অঙ্গভঙ্গি করে তাকে কু-প্রস্তাব দেন।’ মান-সম্মানের ভয়ে ওই নারী কোনো চিৎকার করেননি বলে এজাহারে উল্লেখ করেন।

Exit mobile version