দ্যা মেইল বিডি / খবর সবসময়

; ;

দ্যা মেইল বিডি ডট কম

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিবন্ধিত অনলাইন পত্রিকা, নিবন্ধন নং- ১১

উবায়দুল্লাহ রুমি, ঈশ্বরগঞ্জ (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি:

ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলায় কয়েকদিনের টানা ভারী বৃষ্টি ও ঝড়ো হাওয়ার পর হঠাৎ নেমে আসা অস্বাভাবিক শিলাবৃষ্টি যেন কৃষকের স্বপ্নে আঘাত হেনেছে। বিশেষ করে গত মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর ‘শস্যভাণ্ডার’ খ্যাত রাজিবপুর ও উচাখিলা ইউনিয়নের চরাঞ্চলে এই শিলাবৃষ্টির তাণ্ডবে বোরো ধানসহ বিভিন্ন রবি ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। সরেজমিন বুধবার সকালে ক্ষতিগ্রস্ত মাঠে গিয়ে দেখা যায়, ধানের ছড়া বের হওয়ার আগমুহূর্তে ধান গাছগুলো ভেঙে পড়ে আছে, সবজির খেত লণ্ডভণ্ড, আর আম গাছের কচি মুকুল ঝরে মাটিতে পড়ে আছে।

আকস্মিক এই দুর্যোগে বড় ধরনের লোকসানের আশঙ্কায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন কৃষকরা। স্থানীয় কৃষকরা জানান, বর্তমানে বোরো ধানের ছড়া বের হওয়ার গুরুত্বপূর্ণ সময়। ঠিক এই সময়ে শিলাবৃষ্টির আঘাতে ধানগাছ ভেঙে পড়ছে এবং ছড়াগুলো নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। পাশাপাশি মরিচ, করলা, শসা ও বেগুনের খেত প্রায় সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস হয়ে গেছে। আম ও লিচু গাছের মুকুল ও কচি কুঁড়িও ঝরে পড়েছে। শুধু ফসলই নয়, শিলার আঘাতে গ্রামের অনেক বাড়ির টিনের চাল পর্যন্ত ছিদ্র হয়ে গেছে। উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, চলতি বোরো মৌসুমে ঈশ্বরগঞ্জে প্রায় ২০ হাজার ২২৫ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের আবাদ হয়েছে। এই সময়ের শিলাবৃষ্টি ফসলের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর হওয়ায় কৃষকদের মধ্যে উদ্বেগ আরও বেড়ে গেছে। রাজিবপুর ইউনিয়নের উজানচর নওপাড়া গ্রামের কৃষক নুরুল আমিন বলেন, এ বছর তিনি ৯০ শতাংশ জমিতে বোরো এবং ৩০ শতাংশ জমিতে শসা চাষ করেছিলেন। শিলাবৃষ্টিতে সব শেষ হয়ে গেছে।

এই সময়ে শিলাবৃষ্টি ফসলের জন্য মরণঘাতী হয়ে দাঁড়িয়েছে। একই গ্রামের সাইফুল ইসলাম ওরফে ইসলাম উদ্দিন ও তার ছেলে সাব্বির হোসেন জানান, তাদের প্রায় ২০০ শতাংশ জমির ধান ভেঙে পড়েছে। মরিচ, শসা আর বেগুনের চারা একেবারেই নষ্ট হয়ে গেছে। অনেক টাকার লোকসান হয়েছে, কিন্তু এখনো কৃষি অফিস থেকে কেউ কোন খোঁজ নেননি। কৃষকপুত্র জিহাদ বলেন, তাদের চরাঞ্চলে এখন বোরো ধানের ছড়া ছাড়ার সময়। এই সময়ে শিলাবৃষ্টির কারণে সব ছড়া ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ভেঙে যাওয়া ছড়াগুলো আর বাঁচবে না। পাশাপাশি শসা, মরিচ, করলা ও বেগুনসহ বিভিন্ন সবজির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার ও ভারপ্রাপ্ত উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ফারজানা আজাদ সুমি বলেন, উপজেলার চরাঞ্চলসহ বিভিন্ন স্থানে শিলাবৃষ্টির খবর পাওয়া গেছে। এতে ফসলের কমবেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

আমাদের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তারা মাঠে কাজ করছেন এবং কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিচ্ছেন। উবায়দুল্লাহ রুমি, ঈশ্বরগঞ্জ (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলায় কয়েকদিনের টানা ভারী বৃষ্টি ও ঝড়ো হাওয়ার পর হঠাৎ নেমে আসা অস্বাভাবিক শিলাবৃষ্টি যেন কৃষকের স্বপ্নে আঘাত হেনেছে। বিশেষ করে গত মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর ‘শস্যভাণ্ডার’ খ্যাত রাজিবপুর ও উচাখিলা ইউনিয়নের চরাঞ্চলে এই শিলাবৃষ্টির তাণ্ডবে বোরো ধানসহ বিভিন্ন রবি ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। সরেজমিন বুধবার সকালে ক্ষতিগ্রস্ত মাঠে গিয়ে দেখা যায়, ধানের ছড়া বের হওয়ার আগমুহূর্তে ধান গাছগুলো ভেঙে পড়ে আছে, সবজির খেত লণ্ডভণ্ড, আর আম গাছের কচি মুকুল ঝরে মাটিতে পড়ে আছে। আকস্মিক এই দুর্যোগে বড় ধরনের লোকসানের আশঙ্কায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন কৃষকরা। স্থানীয় কৃষকরা জানান, বর্তমানে বোরো ধানের ছড়া বের হওয়ার গুরুত্বপূর্ণ সময়। ঠিক এই সময়ে শিলাবৃষ্টির আঘাতে ধানগাছ ভেঙে পড়ছে এবং ছড়াগুলো নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।

পাশাপাশি মরিচ, করলা, শসা ও বেগুনের খেত প্রায় সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস হয়ে গেছে। আম ও লিচু গাছের মুকুল ও কচি কুঁড়িও ঝরে পড়েছে। শুধু ফসলই নয়, শিলার আঘাতে গ্রামের অনেক বাড়ির টিনের চাল পর্যন্ত ছিদ্র হয়ে গেছে। উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, চলতি বোরো মৌসুমে ঈশ্বরগঞ্জে প্রায় ২০ হাজার ২২৫ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের আবাদ হয়েছে। এই সময়ের শিলাবৃষ্টি ফসলের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর হওয়ায় কৃষকদের মধ্যে উদ্বেগ আরও বেড়ে গেছে।

রাজিবপুর ইউনিয়নের উজানচর নওপাড়া গ্রামের কৃষক নুরুল আমিন বলেন, এ বছর তিনি ৯০ শতাংশ জমিতে বোরো এবং ৩০ শতাংশ জমিতে শসা চাষ করেছিলেন। শিলাবৃষ্টিতে সব শেষ হয়ে গেছে। এই সময়ে শিলাবৃষ্টি ফসলের জন্য মরণঘাতী হয়ে দাঁড়িয়েছে। একই গ্রামের সাইফুল ইসলাম ওরফে ইসলাম উদ্দিন ও তার ছেলে সাব্বির হোসেন জানান, তাদের প্রায় ২০০ শতাংশ জমির ধান ভেঙে পড়েছে। মরিচ, শসা আর বেগুনের চারা একেবারেই নষ্ট হয়ে গেছে।

অনেক টাকার লোকসান হয়েছে, কিন্তু এখনো কৃষি অফিস থেকে কেউ কোন খোঁজ নেননি। কৃষকপুত্র জিহাদ বলেন, তাদের চরাঞ্চলে এখন বোরো ধানের ছড়া ছাড়ার সময়। এই সময়ে শিলাবৃষ্টির কারণে সব ছড়া ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ভেঙে যাওয়া ছড়াগুলো আর বাঁচবে না।

পাশাপাশি শসা, মরিচ, করলা ও বেগুনসহ বিভিন্ন সবজির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার ও ভারপ্রাপ্ত উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ফারজানা আজাদ সুমি বলেন, উপজেলার চরাঞ্চলসহ বিভিন্ন স্থানে শিলাবৃষ্টির খবর পাওয়া গেছে। এতে ফসলের কমবেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। আমাদের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তারা মাঠে কাজ করছেন এবং কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিচ্ছেন।

Share.
Leave A Reply

মোঃ আব্দুল আওয়াল হিমেল
প্রকাশক ও সম্পাদক 
দ্যা মেইল বিডি ডট কম
মোবাইল: +৮৮০ ১৩১৪-৫২৪৭৪৯
ইমেইল: themailbdnews@gmail.com
ঠিকানা: ১০২/ক, রোড নং-০৪, পিসি কালচার হাউজিং সোসাইটি, শ্যামলী, ঢাকা-১২০৭

নিউজরুম: +৮৮০ ১৩১৪-৫২৪৭৪৯
জরুরী প্রয়োজন অথবা টেকনিক্যাল সমস্যা: +৮৮০ ১৮৩৩-৩৭৫১৩৩

© 2026 Themailbd.com. Designed and developed by Saizul Amin.
Exit mobile version