কেমন হবে নতুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মন্ত্রিসভা, তা নিয়ে চলছে নানা জল্পনা। সামনে আসছে অনেকের নাম। ইঙ্গিত মিলছে অভিজ্ঞ ও তারুণ্যের সমন্বয়ে হতে পারে নতুন মন্ত্রিসভা। একক এলাকা নয়, মন্ত্রিসভায় আঞ্চলিক ভারসাম্য রাখতে চায় বিএনপি।
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে দুই তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে দুই দশক পর সরকার গঠন করতে যাচ্ছে বিএনপি। সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতা হিসেবে সরকারপ্রধান বা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথের অপেক্ষায় বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
ভাবী প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য মন্ত্রিসভায় কারা থাকছেন, তা নিয়ে জল্পনা সব মহলে। দলীয় সূত্র জানাচ্ছে, এবারের মন্ত্রিসভা হবে অভিজ্ঞতাসম্পন্ন প্রবীণ আর দক্ষ তরুণদের মিশেলে। একক কোনো এলাকা নয়, মন্ত্রিসভায় আঞ্চলিক ভারসাম্য রাখতে চায় বিএনপি।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মঈন খানদের মতো প্রবীণ নেতারা মন্ত্রিসভায় থাকবেন নাকি তাদের কেউ বঙ্গভবনের পরবর্তী বাসিন্দা হবেন, তা নিয়ে আছে জল্পনা।
দলের সম্ভাব্য নীতিনির্ধারণী ফোরাম স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, সালাহউদ্দিন আহমদ, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনকে বিবেচনা করা হচ্ছে গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে। ২০০১-০৬ সরকারে থাকা অবসরপ্রাপ্ত এয়ার ভাইস মার্শাল আলতাফ হোসেন চৌধুরী, বরকতউল্লাহ বুলু, আ ন ম এহসানুল হক মিলন থাকতে পারেন এবারের মন্ত্রিসভায়ও।
তরুণদের মধ্যে আলোচনায় শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, ইশরাক হোসেন, ড. রেজা কিবরিয়া। এছাড়া জোটসঙ্গীদের মধ্য থেকে ববি হাজ্জাজ, আন্দালিব রহমান পার্থ, নুরুল হক নূর আছেন আলোচনায়।
নতুন সরকারের সঙ্গে কোনো না কোনোভাবে থাকতে পারেন বিএনপির এবারের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান ও সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করা নজরুল ইসলাম খান, রুহুল কবির রিজভী।
নতুন কেবিনেটের সম্ভাব্য টেকনোক্র্যাট সদস্য হিসেবে সামনে আসছে মাহদী আমিন, হুমায়ুন কবিরের নাম।
পরবর্তী সরকারের স্পিকার হিসেবে শোনা যাচ্ছে সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীনের নাম।


