স্বীকৃতি বিশ্বাস, যশোরঃ
যশোর জেলার অভয়নগর উপজেলায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টিকটকে পরকীয়ার জেরে সাবেক স্ত্রীকে কুপিয়ে যখমের অভিযোগ উঠেছে এক যুবকের বিরুদ্ধে। গতকাল শনিবার (২৪ জানুয়ারি ) সন্ধ্যা সাড়ে ৫টার সময় উপজেলার নওয়াপাড়া পৌরসভার শাহী মোড় এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় জড়িত মূল অভিযুক্ত রহমত সরদারকে (২৫) আটক করে পুলিশে দিয়েছে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী । রহমত সরদার(২৫) খুলনা জেলার কয়রা উপজেলার বগা গ্রামের সাত্তার সরদারের ছেলে। তারা প্রায় ৩০ বছর ধরে নওয়াপাড়া শাহী মোড় রেল বস্তিতে থাকেন।
আহত সাদিয়া আক্তার (২১) খুলনা জেলার একই উপজেলার উল্ল্যা গ্রামের শুকুর আলীর মেয়ে। তারা দীর্ঘদিন ধরে নওয়াপাড়া শাহী মোড় রেল বস্তিতে বসবাস করে আসছেন। পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, শাহীমোড় এলাকায় বাসিন্দা সাদিয়ার সঙ্গে তার স্বামী রহমতের দাম্পত্য কলহ চলছিল। এই বিরোধকে কেন্দ্র করে দুই জনের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে মনোমালিন্য চলছিল। গত আট বছর আগে প্রেম করে বিয়ে করেন রহমত ও সাদিয়া। সেই সংসারের ইতি টেনে আড়াই মাস আগে তাদের ডিভোর্স হয়ে যায়। তাদের ৫ বছরের আব্দুল্লাহ নামের একটি ছেলে রয়েছে।
এই মনোমালিন্যের জের ধরেই শনিবার সন্ধ্যায় রহমত তার সাবেক স্ত্রী সাদিয়াকে, তার নানা আনোয়ার গাজীর বাসায় গিয়ে ধারালো অস্ত্র (বাটাল) দিয়ে এলোপাথাড়ি আঘাত করেন। এসময় আহতের চিৎকারে প্রতিবেশীরা দ্রুত ছুটে আসেন এবং বাটালসহ রহমতকে আটক করে পুলিশে খবর দেন। পরে আহতকে উদ্ধার করে আশঙ্কাজনক অবস্থায় অভয়নগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ নিয়ে গেলে দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসক তাকে খুলনা ২৫০ বেড মেডিকেল কলেজের রেফার করেন।
এ বিষয়ে অভয়নগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ডা: মরিয়ম মুনমুন জানান, আহতের বাম হাতে পাঁচটি ধারালো অস্ত্রের আঘাত , ডান হাতে একটি ও পিঠে কয়েকটি আঘাতের চিহ্ন ছিলো। তার অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের জন্য তাকে খুলনা ২৫০ শয্যা হাসপাতালে রেফার করি। এ বিষয়ে ঘাতক স্বামী রহমত সরদারের সাথে কথা বললে তিনি বলেন,আট বছর আগে পরিবারের অমতে প্রেম করে বিয়ে করি সাদিয়াকে। ভালোই চলছিল সংসার।
আমার একটি পাঁচ বছর বয়সী ছেলে রয়েছে। গত কয়েক মাস আগে টিকটকে পরক্রিয়ার কারণে সাদিয়ার সাথে মনোমালিন্যের সৃষ্টি হয়। তারই জেরে আড়াই মাস আগে সাদিয়ার সাথে আমার ডিভোর্স হয়। তারপরও আমি বারবার সাদিয়াকে না ভুলতে পেরে ওর কাছে অনুনয় বিনিময় করে ও ছেলের মুখের দিকে তাকিয়ে ওকে নিয়ে সংসার করতে চাই। কিন্তু সাদিয়া আমার সাথে সংসার করতে রাজি হয়নি। গত শুক্রবার রাতে সাদিয়ার নানা বাড়ি গিয়ে ওর সাথে কথা কাটাকাটি হলে ওর চাচাতো ভাইরা আমাকে মারধর করে। আমি চুপচাপ চলে আসি।
শনিবার বিকালে আমি আবারো সাদিয়ার সাথে কথা বলতে যায়। একপর্যায়ে ওর মোবাইল ফোনের টিক টকে একটি কমেন্টস এর কথা জিজ্ঞেস করলে আমার সাথে ঝগড়া বাধায়।পরের রাগের মাথায় ধারালো অস্ত্র (বাটাল) দিয়ে সাদিয়াকে আঘাত করি। সাদিয়া আমার না হলে আর কারোর হবে না। অভয়নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম নুরুজ্জামান বলেন, ঘাতক রহমত সরদার কে আটক করা হয়েছে। তার ব্যবহারিত ধারালো অস্ত্র (বাটালটি) উদ্ধার করা হয়েছে।
আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।অভয়নগরে টিকটকে পরকীয়ার জেরে সাবেক স্ত্রীকে কুপিয়ে যখম স্বীকৃতি বিশ্বাস, যশোরঃ যশোর জেলার অভয়নগর উপজেলায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টিকটকে পরকীয়ার জেরে সাবেক স্ত্রীকে কুপিয়ে যখমের অভিযোগ উঠেছে এক যুবকের বিরুদ্ধে। গতকাল শনিবার (২৪ জানুয়ারি ) সন্ধ্যা সাড়ে ৫টার সময় উপজেলার নওয়াপাড়া পৌরসভার শাহী মোড় এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় জড়িত মূল অভিযুক্ত রহমত সরদারকে (২৫) আটক করে পুলিশে দিয়েছে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী । রহমত সরদার(২৫) খুলনা জেলার কয়রা উপজেলার বগা গ্রামের সাত্তার সরদারের ছেলে। তারা প্রায় ৩০ বছর ধরে নওয়াপাড়া শাহী মোড় রেল বস্তিতে থাকেন।
আহত সাদিয়া আক্তার (২১) খুলনা জেলার একই উপজেলার উল্ল্যা গ্রামের শুকুর আলীর মেয়ে। তারা দীর্ঘদিন ধরে নওয়াপাড়া শাহী মোড় রেল বস্তিতে বসবাস করে আসছেন। পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, শাহীমোড় এলাকায় বাসিন্দা সাদিয়ার সঙ্গে তার স্বামী রহমতের দাম্পত্য কলহ চলছিল। এই বিরোধকে কেন্দ্র করে দুই জনের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে মনোমালিন্য চলছিল। গত আট বছর আগে প্রেম করে বিয়ে করেন রহমত ও সাদিয়া। সেই সংসারের ইতি টেনে আড়াই মাস আগে তাদের ডিভোর্স হয়ে যায়। তাদের ৫ বছরের আব্দুল্লাহ নামের একটি ছেলে রয়েছে।
এই মনোমালিন্যের জের ধরেই শনিবার সন্ধ্যায় রহমত তার সাবেক স্ত্রী সাদিয়াকে, তার নানা আনোয়ার গাজীর বাসায় গিয়ে ধারালো অস্ত্র (বাটাল) দিয়ে এলোপাথাড়ি আঘাত করেন। এসময় আহতের চিৎকারে প্রতিবেশীরা দ্রুত ছুটে আসেন এবং বাটালসহ রহমতকে আটক করে পুলিশে খবর দেন। পরে আহতকে উদ্ধার করে আশঙ্কাজনক অবস্থায় অভয়নগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ নিয়ে গেলে দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসক তাকে খুলনা ২৫০ বেড মেডিকেল কলেজের রেফার করেন। এ বিষয়ে অভয়নগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ডা: মরিয়ম মুনমুন জানান, আহতের বাম হাতে পাঁচটি ধারালো অস্ত্রের আঘাত , ডান হাতে একটি ও পিঠে কয়েকটি আঘাতের চিহ্ন ছিলো।
তার অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের জন্য তাকে খুলনা ২৫০ শয্যা হাসপাতালে রেফার করি। এ বিষয়ে ঘাতক স্বামী রহমত সরদারের সাথে কথা বললে তিনি বলেন,আট বছর আগে পরিবারের অমতে প্রেম করে বিয়ে করি সাদিয়াকে। ভালোই চলছিল সংসার। আমার একটি পাঁচ বছর বয়সী ছেলে রয়েছে। গত কয়েক মাস আগে টিকটকে পরক্রিয়ার কারণে সাদিয়ার সাথে মনোমালিন্যের সৃষ্টি হয়। তারই জেরে আড়াই মাস আগে সাদিয়ার সাথে আমার ডিভোর্স হয়। তারপরও আমি বারবার সাদিয়াকে না ভুলতে পেরে ওর কাছে অনুনয় বিনিময় করে ও ছেলের মুখের দিকে তাকিয়ে ওকে নিয়ে সংসার করতে চাই।
কিন্তু সাদিয়া আমার সাথে সংসার করতে রাজি হয়নি। গত শুক্রবার রাতে সাদিয়ার নানা বাড়ি গিয়ে ওর সাথে কথা কাটাকাটি হলে ওর চাচাতো ভাইরা আমাকে মারধর করে। আমি চুপচাপ চলে আসি। শনিবার বিকালে আমি আবারো সাদিয়ার সাথে কথা বলতে যায়। একপর্যায়ে ওর মোবাইল ফোনের টিক টকে একটি কমেন্টস এর কথা জিজ্ঞেস করলে আমার সাথে ঝগড়া বাধায়।পরের রাগের মাথায় ধারালো অস্ত্র (বাটাল) দিয়ে সাদিয়াকে আঘাত করি।
সাদিয়া আমার না হলে আর কারোর হবে না। অভয়নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম নুরুজ্জামান বলেন, ঘাতক রহমত সরদার কে আটক করা হয়েছে। তার ব্যবহারিত ধারালো অস্ত্র (বাটালটি) উদ্ধার করা হয়েছে। আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।


