নিজস্ব প্রতিবেদক: নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলা একটি ফুলের বাগানের মতো। এই বাগানো কোন চাঁদাবাজের আঁচর লাগতে দেবোনা। ব্যাবসায়ীরা দলমত নির্বিশেষে দুর্গাপুর বাজারে ব্যাবসা চালিয়ে যাবেন। এখানে কোন সন্ত্রাসী বা চাঁদাবাজকে ঠাঁই দেয়া হবে না। বিএনপি ক্ষমতায় রাস্ট্র ক্ষমতায় গেলে, চাঁদাবাজের মুলোৎপাটন করা হবে, গারো, হাজং, হিন্দু, মুসলিমদের সম্প্রীতির বাগান দুর্গাপুর তা কোনদিন নস্ট হতে দেবো না।
নেত্রকোনা-১ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী, কেন্দ্রীয় বিএনপি’র আইন বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, দুর্গাপুর পৌরশহরের ব্যাবসায়ীদের নিয়ে মতবিনিময় কালে এ কথা বলেছেন।
রবিবার (১৮ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় পৌরশহরের পানমহল এলাকায় ব্যবসায়ীদের আয়োজনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের শত শত ব্যবসায়ী তাঁদের দৈনন্দিন জীবনের নানা সমস্যা, প্রত্যাশা, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাসহ ব্যারিস্টার কায়সার কামাল নির্বাচিত হলে কি কি কাজ করবেন সে বিষয় গুলো তুলে ধরেন।
এ সময় অন্যদের মাঝে, দুর্গাপুর বাজার কমিটির নেতৃবৃন্দ, উপজেলা ও পৌর বিএনপির নেতাকর্মীগণ, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ার সাংবাদিকগণ সহ নানা শ্রেনী পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনা সভায় ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষের মেলবন্ধনের জনপদ সুসং দুর্গাপুর। এই সম্প্রীতি ও মেলবন্ধন কোন গোষ্ঠী বা ব্যক্তি নস্ট করবে আমি তা হতে দেবোনা। আমি ব্যাক্তি বা গোষ্ঠীর জন্য কোন রাজনীতি করি না।
মাদক গ্রহনকারীদের হুশিয়ারী দিয়ে তিনি বলেন, মাদকের কারণে শুধু দুর্গাপুর ও কলমাকান্দা নয়, দুই উপজেলার অনেক পরিবারই ক্ষতিগ্রস্ত। মাদকের কারণেই ইভটিজিং হয়, কিশোর গ্যাং তৈরি হয় এর মূল উৎস হচ্ছে মাদক।
তিনি আরো বলেন, আমি যেদিন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছি, সেদিন আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা দিয়েছি, আপনারা যদি আমাকে এলাকায় কাজ করার সুযোগ দেন, আর আমি যদি এমপি নির্বাচিত হই, তাহলে মাদক, ইভটিজিং ও কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স থাকবে। দুর্গাপুর বাজারে সুন্দর পরিবেশ বজায় থাকবে বলে তিনি ব্যবসায়ীদের আস্যস্ত করেন। আলোচনা শেষে দেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনা করে মোনাজাত করা হয়।


