গোবিপ্রবি প্রতিনিধি:
গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (গোবিপ্রবি) রাষ্ট্রবিজ্ঞান ও একাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস (এআইএস) বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষের সময় সংবাদ সংগ্রহকালে সাংবাদিকের ওপর হামলা ও হেনস্তার অভিযোগের সত্যানুসন্ধানে ৫ সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
রবিবার (২৮ ডিসেম্বর ২০২৫) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মো. এনামউজ্জামানের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখ রাতে গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ ও অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস (এআইএস) বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘটিত অপ্রীতিকর ঘটনা এবং ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সাংবাদিকদের সংবাদ সংগ্রহে বাধা দেওয়ার বিষয়টি সত্যানুসন্ধানের লক্ষ্যে নিম্নবর্ণিত শিক্ষকদের সমন্বয়ে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে অ্যানিমেল সায়েন্স অ্যান্ড ভেটেরিনারি মেডিসিন (এএসভিএম) অনুষদের ডিন সহযোগী অধ্যাপক জনাব ড. মাহবুব হাসানকে এবং সদস্য সচিব করা হয়েছে সহকারী প্রক্টর জনাব মো. রাহাত তুহিনকে।
এছাড়া কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন— এআইএস বিভাগের সহকারী অধ্যাপক জনাব আশিক উজ জামান, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক জনাব আহমদ আলী এবং ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের সহকারী পরিচালক জনাব মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন। উল্লেখ্য, একাধিক শিক্ষার্থীর তথ্যমতে গত ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫ রাত ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ হাদী চত্বরে এক নারী শিক্ষার্থীকে উত্যক্ত করার ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাষ্ট্রবিজ্ঞান ও অ্যাকাউন্টিং বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রথমে তর্কাতর্কি শুরু হয়। পরে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়।
এ সময় সংবাদ সংগ্রহকালে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ২০২০–২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী শেখ হামজাসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির দপ্তর সম্পাদক ও দৈনিক কালবেলার বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধির ওপর হামলা, অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ এবং মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়ার অভিযোগ ওঠে। একই সঙ্গে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের হামলায় এআইএস বিভাগের স্নাতক পর্যায়ের এক শিক্ষার্থী গুরুতর আহত হন।


