নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশে জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, বাংলাদেশের গণতন্ত্রের উপর শকুনের দৃষ্টি পড়েছে। ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধের জাতীয় সংসদ নির্বাচন কেউ ঠেকাতে পারবে না। নির্বাচনে তিনশো জন প্রতিনিধি নির্বাচিত হয়েই সংস্কার সম্পন্ন করবেন। ভোটার যাদেরকে ভোট দেবেন, তারাই সংসদে যাবেন ও আইন সংস্কার করবেন।
শনিবার (৩০ আগস্ট) দুপুরে নেত্রকোনার পৌরশহরে মোক্তারপাড়া মাঠে ১১ বছর পর নেত্রকোনা জেলা বিএনপি’র দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন জেলা বিএনপির আহবায়ক অধ্যাপক ডা. আনোয়ারুল হকের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
আলোচনা সভায় জেলা বিএনপির সদস্য সচিব ড. রফিকুল ইসলাম হিলালী সঞ্চালনায় অন্যান্যদের মাঝে বক্তব্য রাখেন বিএনপি’র চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য সৈয়দ আলমগীর, জাতীয় নির্বাহী কমিটির যুগ্ন-মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল, জাতীয় নির্বাহী কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. শরীফুল আলম, জাতীয় নির্বাহী কমিটির আইন বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাড. শাহ ওয়ারেছ আলী মামুন, সাবেক মন্ত্রী ও জাতীয় কমিটির সদস্য লুৎফুজ্জামান বাবর, ধর্মবিষয়ক সম্পাদক এ টি এম আব্দুল বারী ড্যানী, নির্বাহী কমিটির সদস্য চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল ফারুক, এড. খোরশেদ মিয়া আলম, আরিফা জেসমিন নাহিন, অধ্যক্ষ রাবেয়া আলী প্রমুখ।
এ সম্মেলনে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদের পাঁচজন নেতা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ১০টি উপজেলা ও পাঁচটি পৌর কমিটিতে এক হাজার ৫১৫ জন কাউন্সিলরের ভোটের মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ এই দুইটি পদে নেতৃত্ব নির্বাচন করা হবে।
দীর্ঘ ১১ বছর বছর পর আজ (শনিবার) সম্মেলন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। নতুন কমিটিতে সভাপতি পদ প্রত্যাশীরা হলেন- জেলা বিএনপি’র বর্তমান আহবায়ক ডা. মো. আনোয়ারুল হক (ছাতা) ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুল হক (চেয়ার)। আর সাধারণ সম্পাদক পদে জেলা বিএনপির’র বর্তমান সদস্য সচিব ড. মো. রফিকুল ইসলাম হিলালী (মাছ), জেলা বিএনপি’র যুগ্ম-আহবায়ক এসএম মনিরুজ্জামান দুদু (বল) ও জেলা যুবদলের সাবেক সহসভাপতি মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন খান রনি (গরুর গাড়ি)।
দলীয় সূত্রে জানায়, ২০১৪ সালের ২৫ অক্টোবর নেত্রকোনা জেলা বিএনপি’র দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনের প্রায় দেড় বছর পর ২০১৬ সালের ৮ মার্চ দলের মহাসচিব মির্জা ফকরুল ইসলাম আলমগীর ১৯২ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন দেন। এরপর ২০১৯ সালে ৬ আগস্ট মেয়াদোত্তার্ণ কমিটি বিলুপ্ত করে কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি। পরে ৬৭ সদস্যের আহবায়ক কমিটি গঠিত হলে এতে আহবায়ক করা হয় ডা. আনোয়ারুল হককে। আর সদস্যসচিব করা হয় কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ড. মো. রফিকুল ইসলাম হিলালীকে।