বুধবার, সেপ্টেম্বর ৩০

জেলা প্রতিনিধি, নড়াইল:

নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলায় সৎ মায়ের বিরুদ্ধে মেয়ে নুসরাত জাহান (৩) নামে এক শিশুকে গলা টিপে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।

মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রুয়ারী) বেলা ৩টার দিকে উপজেলার কাশিপুর ইউনিউনের গীলাতলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

মৃত নুসরাত জাহান লোহাগড়া উপজেলার কাশিপুর ইউনিউনের গীলাতলা গ্রামের মো.সজিব কাজীর মেয়ে।

স্থানীয় ও পুলিশ সুত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার গীলাতলা গ্রামের শিশু নুসরাতের বাড়িতে প্রতিদিনের ন্যায় তাকে গোসল করানোর জন্য খুঁজছিলো তার দাদি পান্না বেগম। পরে তাকে না পেয়ে নুসরাত এর সৎ মা জোবাইদাকে জিজ্ঞেস করলে সে জানায় নুসরাত ঘরে ঘুমিয়ে আছে। পরে তিনি ঘরে গিয়ে নুসরাতকে ডাকাডাকি করলে কোন সাড়া পাননি। এরপর তিনি নুসরাতকে ঘরে ঘাটের উপর শুয়ে থাকতে দেখতে পেয়ে ডাকাডাকি করেন কিন্তু তার ডাকে সে সাড়া দেয়নি। এসময় তার পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা এসে নুসরাতকে মৃত অবস্থায় দেখে পুলিশে খবর দেয়। খবর পেয়ে লোহাগড়া থানা পুলিশের একটি দল শিশুটির লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

নুসরাতের দাদি পান্না বেগম জানান, বনিবনা না হওয়ায় বিগত ৩ বছর আগে উপজেলার বাসেরডাঙ্গা গ্রামের রুবা বেগমের বিচ্ছেদ হয়। সজিবের বিচ্ছেদের পর নুসরাত সজীব আমাদের কাছেই থাকতো। পরে সজিব জোবাইদাকে বিবাহ করে। বিবাহের পর শিশু নুসরাতকে নিয়ে ওই দম্পতির বিভিন্ন সময়ে ঝগড়া হতো বলেও জানান তিনি।

মৃত নুসরাতের ফুফু লাবনি আক্তার অভিযোগ করে বলেন, আমার ভাই সজিবের দ্বিতীয় পক্ষের স্ত্রী জোবাইদা আমার ভাতিজিকে দেখতে পারতো না। আমার ভাতিজি নুসরাতকে জোবাইদা গলা টিপে মেরে ফেলেছে। আমি এ ঘটনার সুষ্টু বিচার চাই।

এ বিষয়ে লোহাগড়া থানা পুলিশের পরিদর্শক (তদন্ত) আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, শিশুটির মৃত্যুর ঘটনায় তার পিতা সজীব কাজী ও তার সৎ মা জোবাইদাকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশি হেফাজতে নেয়া হয়েছে। এছাড়া লাশ ময়না তদন্তের জন্য পাঠানো হচ্ছে। এ বিষয়ে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Share.

মোঃ আব্দুল আওয়াল হিমেল
প্রকাশক ও সম্পাদক 
দ্যা মেইল বিডি ডট কম
মোবাইল: +৮৮০ ১৩১৪-৫২৪৭৪৯
ইমেইল: themailbdnews@gmail.com
ঠিকানা: ১০২/ক, রোড নং-০৪, পিসি কালচার হাউজিং সোসাইটি, শ্যামলী, ঢাকা-১২০৭

নিউজরুম: +৮৮০ ১৩১৪-৫২৪৭৪৯
জরুরী প্রয়োজন অথবা টেকনিক্যাল সমস্যা: +৮৮০ ১৮৩৩-৩৭৫১৩৩

© ২০২৬ The Mail Bd.. Designed and developed by Saizul Amin.
Exit mobile version