এম এইচ রনি, নীলফামারী জেলা প্রতিনিধি:
নীলফামারীর জলঢাকায় বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিবের ৯২তম জন্মবার্ষিকীতে ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ ফাউন্ডেশনের ভিন্নধর্মী আয়োজন করা হয়।
সোমবার (৮/আগস্ট ) বিকেলে
বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিবের
জন্মবার্ষিকীতে ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ ফাউন্ডেশনের আয়োজনে আলোচনা সভা ও বঙ্গমাতা পদক প্রদান অনুষ্ঠানে জলঢাকার প্রথম শহীদ মতি মাস্টারের সহধর্মিণী শহীদ জায়া হাসিনা খাতুনকে সংবর্ধনা পদক হাতে তুলে দিয়ে মমতায় জড়িয়ে ধরেন আন্তর্জাতিক যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনালের সাবেক প্রসিকিউটর ও ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার ড. তুরিন আফরোজ। এসময় তিনি বলেন,
এই মহিয়সী ত্যাগী নারী বঙ্গবন্ধু পরিবারের সব দায়িত্ব নিজ কাঁধে তুলে নিয়ে বঙ্গবন্ধুকে জাতির সেবায় মনোনিবেশ করার সুযোগ করে দিয়েছিলেন।
শুধু তা-ই নয়, রাজনীতির নানা দুঃসময়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধুকে দিয়েছিলেন গঠনমূলক পরামর্শ। তার বলিষ্ঠ ও সময়োপযোগী পরামর্শসমূহ জাতির জীবনে সুফল বয়ে এনেছে, যা জাতীয় ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে।
বঙ্গবন্ধুর সহধর্মিণী হিসেবে দীর্ঘকাল তার পাশে থেকে মানবকল্যাণ ও রাজনীতির যে শিক্ষা তিনি লাভ করেছেন, তাতে তিনি একজন বিদুষী ও প্রজ্ঞাবান নারীতে রূপান্তরিত হয়েছিলেন। বঙ্গবন্ধুর সমগ্র রাজনৈতিক জীবনে ছায়ার মতো অনুসরণ করে তাঁর প্রতিটি রাজনৈতিক কর্মকান্ডে অফুরান প্রেরণার উৎস হয়েছিলেন বঙ্গমাতা। এর আগে কেক কেটে
বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিবের জন্মবার্ষিকীর শুভসূচনা করা হয়।
আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ ফাউন্ডেশনের প্রধান সমন্বয়ক এনামুল হক, উপজেলা আ’লীগে সহ সভাপতি মোকলেছুর রহমান সঞ্জু উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি সালাউদ্দিন কাদের, শহীদজায়ার মেয়ে বিলকিস বেগম ও মুক্তা বেগম, শিক্ষক সংঘের সভাপতি অনিল কুমার রায়, সাধারণ সম্পাদক সফিয়ার রহমান, সহ সভাপতি শাহ আলম চৌধুরী স্বাধীন, সাংগঠনিক সম্পাদক নুরুজ্জামান, সনাতন সম্প্রীতি সংঘের সভাপতি রনজিৎ কুমার রায়, সাধারণ সম্পাদক অনিল চন্দ্র রায় ও সাংগঠনিক সম্পাদক রঞ্জন কুমার রায় সহ বিভিন্ন ইউনিটের নেতা কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।



