এসএসএফ এর নাম ব্যবহার করে ভুয়া কোম্পানি খুলে প্রতারণার অভিযোগে ৬ জনকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব – দ্যা মেইল বিডি / খবর সবসময়
Lead Newsআইন-কানুনবাংলাদেশসরকার

এসএসএফ এর নাম ব্যবহার করে ভুয়া কোম্পানি খুলে প্রতারণার অভিযোগে ৬ জনকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব

এসএসএফ এর নাম ব্যবহার করে ভুয়া কোম্পানি খুলে চাকরি দেওয়ার নামে প্রতারণার অভিযোগে অপরাধী চক্রের ৬ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব।

বুধবার ৩ আগস্ট রাজধানীর মিরপুর থেকে এই চক্রের ৬ সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়।বৃহস্পতিবার (৪ আগস্ট) রাজধানীর কাওরান বাজার মিডিয়া সেন্টারে র‌্যাব-৩ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আরিফ মহিউদ্দিন আহমেদ সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান।

গ্রেফতারকৃতরা হলো— মাসুম বিল্লাহ (৩৩), খাইরুল আলম রকি (২০), কামরুজ্জামান ডেনিশ (২২), মাহমুদুল হাসান (৩২), মাসুদ রানা (২৪) ও এস এম রায়হান (২৪)। এ সময় তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় আটটি মোবাইল ফোন, আটটি সিমকার্ড, একটি মনিটর, একটি ল্যাপটপ, একটি সিপিইউ, এসএসএফ প্রাইভেট কোম্পানি লিমিটেড নামে দুইটি ব্যানার, দুইটি ডায়েরি, সিভি ২ শতাধিক, ফরম ও শতাধিক নিয়োগপত্র উদ্ধার করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, এই চক্রের সদস্যরা একই ধরনের প্রতারণার কাজে এর আগেও গ্রেফতার হয়ে জেল খেটেছে। জেল খেটে এসে পরে আবারও একই ধরনের প্রতারণার সঙ্গে জড়িয়েছে। নিজেরা চাকরি পাওয়ার প্রত্যাশায় আর্থিকভাবে প্রতারিত হওয়ার পর তারাই লোকজনদের প্রতারিত করে আসছিল। ব্যবসা পরিচালনার জন্য তাদের কোনও লাইসেন্স ছিল না। একটি গুরুত্বপূর্ণ সংস্থার নাম ব্যবহার করে তারা এ ধরনের অপতৎপরতা চালিয়ে আসছিল। তারা প্রায় কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছে বলে জানা গেছে। যাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে, তাদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আরও অভিযান পরিচালনা করা হবে।

লেফটেন্যান্ট কর্নেল আরিফ মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, গ্রেফতার মাসুম বিল্লাহ এই চক্রের মূল হোতা। সে নিজেকে আইনজীবী পরিচয় দিতো। চাকরির জন্য এসে প্রতারণার পর তারা যখন টাকা ফেরত চাইতে আসতো, তখন তাদের মামলার ভয় দেখানো হতো। প্রতারণাকে বৈধভাবে উপস্থাপন করার জন্য অফিসে ভুয়া লাইসেন্স ঝুলিয়ে রাখতো। সরকার অনুমোদিত এসএসএফ প্রাইভেট কোম্পানি লিমিটেড লিখে তারা পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিতো। যা দেখে চাকরিপ্রার্থীরা সরকারি প্রতিষ্ঠান মনে করতো। এছাড়া এসএসএফ একটি বিশেষ নিরাপত্তা সংস্থার নাম হওয়ায় চাকরিপ্রার্থীরা ওই সব প্রতিষ্ঠানকে এসএসএফের অঙ্গ সংগঠন মনে করতো। চাকরিপ্রার্থীরা সেখানে চাকরির জন্য আবেদন করতো।

সিকিউরিটি গার্ড, সহকারী সুপারভাইজার, সুপারভাইজার, সিকিউরিটি ইনচার্জ, মার্কেটিং অফিসার (পুরুষ), মার্কেটিং অফিসার (নারী), অফিস সহকারী, লেডি গার্ড, অফিস রিসিপশন পদে উচ্চ বেতনে চাকরির প্রলোভন দেখাতো চক্রটি।

দ্যা মেইল বিডি/খবর সবসময়

 

Show More

এই বিভাগের আর খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Close