“প্রসঙ্গ জিপিএ-৫ বিতর্ক এবং প্রাসঙ্গিক কিছু কথা”

0
688

মোঃ আব্দুল মান্নান মল্লিক, কলাম লেখক, দ্যা মেইল বিডি ডট কম।

বাংলাদেশের একটি বেসরকারী টিভি চ্যানেলে  এসএসসিতে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীদের সাক্ষাৎকারমূলক একটি সংবাদ পরিবেশন তথা উপস্থাপনকে কেন্দ্র করে গত কয়েকদিন যাবৎ ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যম ও বিভিন্ন সংবাদ পত্র এবং চায়ের টেবিলে যেন ঝড় বয়ে যাচ্ছে। ঝড় বললে একটু কম বলা হবে রিতীমত টর্নেডো বয়ে যাচ্ছে।

SSC result the mail bd
এসএসসিতে জিপিএ-৫ পাওয়ায় উচ্ছোষিত শিক্ষার্থীরা। (ফাইল ছবি)

পক্ষে-বিপক্ষে অনেকে অনেক রকমই যুক্তি তুলে ধরছে। কারো যুক্তিই কোন কোন ক্ষেত্রে কারো চাইতে কোন অংশে কম নয়। প্রত্যেকের প্রত্যেকটা যুক্তিই যুক্তিসংগত বলে আমার কাছে তথা সকলের কাছে আয়নার মত স্বচ্ছ ও সত্য এবং প্রতিষ্ঠিত সত্য বলে মনে হবে। প্রত্যেকে তার নিজস্ব দৃষ্টিকোণ থেকে তাদের এই যুক্তি-তর্ক নিজস্বভাবে তুলে ধরার প্রানান্ত চেষ্টা করেছেন। ইতোমধ্যে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমেও (পত্রিকায়) দেশের প্রথিতযশা সাংবাদিক ও লেখকের লেখা বেরিয়েছে।

এদের মধ্যে একজন হলো সর্বজন শ্রদ্ধেয় লেখক, সাহিত্যিক ও সাংবাদিক আনিসুল হক এবং আর একজন হলো টিভির অনুষ্ঠান উপস্থাপক ও সাংবাদিক এবং ‘সাপ্তাহিক’ পত্রিকার সম্পাদক গোলাম মোর্তোজা। আনিসুল হকের লেখার শিরোনাম ছিল- “জিপিএ-৫ মান বিতর্ক এবং …”। লেখাটি গত ৩রা জুন দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে। আর গোলাম মোর্তোজার লেখার শিরোনাম ছিল “শিক্ষার্থীদের গিনিপিগ বানিয়েছে রাষ্ট্র”। লেখাটি গত ১লা জুন বাংলা ট্রিবিউন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে। পত্রিকার সম্পাদক মহোদয় তার লেখার নিচে একটি নোট দিয়েছে।

নোটটি হলো-***প্রকাশিত মতামত লেখকের একান্তই নিজস্ব। বাংলা ট্রিবিউন-এর সম্পাদকীয় নীতি/মতের সঙ্গে লেখকের মতামতের অমিল থাকতেই পারে। তাই এখানে প্রকাশিত লেখার জন্য বাংলা ট্রিবিউন কর্তৃপক্ষ লেখকের কলামের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থততা নিয়ে আইনগত বা অন্য কোনও ধরনের কোনও দায় নেবে না।

– বাংলা ট্রিবিউন-এর সম্মানীত সম্পাদক মহোদয়ের এই মন্তব্য তথা নোটের সাথে আমি একমত নই। উপরে উল্লেখিত বাক্য সম্পর্কে আমি শুধু এটুকুই বলতে চাই। অনেকেই আমার সাথে একমত হবেন নিশ্চয়ই।

টেলিভিশনের প্রতিবেদন নিয়ে বিভিন্ন জন বিভিন্ন রকম কথা বলেছেন বা এখনও বলছেন। কেউ কেউ বলেছেন- শিক্ষার্থীদের চেহারা দেখিয়ে যেভাবে সাক্ষাৎকার প্রচার করা হয়েছে, তা কোনভাবেই উচিত হয়নি। এটা সাংবাদিকতার নীতিমালার পরিপন্থী। রিপোর্টার যে ধরনের/যে ভাষায় প্রশ্ন করেছেন সেভাবে প্রশ্ন করা ঠিক হয় নাই। প্রশ্ন করার ধরন নিয়েও কারো কারো আপত্তি আছে। লজ্জা ঘৃণায় ঐসকল শিক্ষার্থীরা যদি ভয়ঙ্কর কিছু ঘটিয়ে ফেলে একথাটাও প্রতিবেদন তৈরির সময় কেন ভাবা হয়নি বা বিবেচনায় নেওয়া হয়নি। শিক্ষার্থীদের চেহারা না দেখিয়েও প্রতিবেদনটি প্রচার করা যেতো। প্রতিবেদনটি প্রচারের প্রেক্ষিতে কোনও দূর্ঘটনা ঘটলে তার দায় সংশ্লিষ্ট টিভি কর্তৃপক্ষ ও রিপোর্টার এড়াতে পারবেন না। প্রতিবেদনটি প্রচার করা সাংবাদিকতার এথিকসের পরিপন্থি এ ধরণের আরও কত শত কথা…………..।

শিক্ষার্থীদের অসহায়ত্বের চিত্র টেলিভিশনের পর্দা থেকে সামাজিক মাধ্যম পর্যন্ত কান্সারের মত ছড়িয়ে পড়েছে। অনলাইন জগতে যাদের বিচরণ তারা সবাই সবকিছু স্বচক্ষে দেখেছেন এবং নিজ কানে শুনেছেন। সামাজিক ও পারিবারীক এবং বন্ধু-বান্ধবের আড্ডাসহ বিভিন্ন আড্ডায় হাসা-হাসি এবং আলোচনা-সমালোচনার ঝড় উঠেছে।

আজকালকার এই আধুনিক টেলি-যোগাযোগের যুগে মোবাইলেও শিশু-কিশোরসহ অবাল-বৃদ্ধ-বনিতা সকলে সাক্ষাৎকারের দৃশ্য দল বেঁধে দেখছেন এবং এক পক্ষ হাসি ঠাট্টা করছেন আর অন্য পক্ষ বলছে এগুলো করা ঠিক হচ্ছেনা বা হয় নাই। দু পক্ষই তাদের নিজের পক্ষে বেশ জোরালো যুক্তি তুলে ধরছেন। শিক্ষার্থীদের এধরণের সাক্ষাৎকার গণমাধ্যমে প্রচার করতে পারে কিনা তা নিয়ে এক পক্ষ প্রশ্ন তুললে আর এক পক্ষ পাল্টা প্রশ্ন করছে, করতে পারবেনা কেন? প্রশ্ন উঠেছে সাংবাদিকতার এথিকস নিয়েও। পক্ষ-বিপক্ষের বেশ জোরালো যুক্তি-তর্ক চলছে। যুক্তি-তর্কের বিবেচনায় সার্বিকভাবে মনে হচ্ছে উভয় পক্ষ সমানে সমান। কোন পক্ষই কোন পক্ষকে ছাড় দিয়ে কথা বলতে নারাজ। সার্বিক দৃষ্টিতে মনে হচ্ছে যেন দু‘পক্ষ বিতর্ক প্রতিযোগীতায় অংশগ্রহণ করতে নেমেছে। দু‘পক্ষই তাদের যুক্তি-তর্ক উপস্থাপনের মধ্য দিয়ে তাদের প্রতিপক্ষকে পরাজিত করার চেষ্টা করছে।

শিক্ষার্থীদের নেয়া সাক্ষাৎকারে যে সকল প্রশ্ন করা হয়েছিল তার কিছু অংশ পাঠকের জ্ঞাতার্থে তুলে ধরা হলো-

১). জিপিএ- এটার পূর্নাঙ্গ রূপ কি ?

২). এসএসসি- এটার পূর্নাঙ্গ রূপ কি ?

৩). আমি জিপিএ-৫ পেয়েছি, ইংরেজিতে কি হবে ?

৪). শহীদ মিনার কোথায় ?

৫). শহীদ বুদ্ধিজীবি দিবস কবে ?

৬). আন্তর্জাতিক মার্তৃভাষা দিবস কবে ?

৭). স্বাধীনতা দিবস কত তারিখে ?

৮). বিজয় দিবস কবে ?

৯). জাতীয় স্মৃতিসৌধ কোথায় ?

১০). বাংলাদেশের বর্তমান রাষ্ট্রপতির নাম কি?

১৩). বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীতের রচয়িতা কে ? ………………..ইত্যাদি ইত্যাদি অতি সহজ প্রশ্ন করা হয়েছিল।

এসকল অতি সাধারণ কিছু কিছু প্রশ্নের উত্তর প্রথম শ্রেণীতে পড়া যে কোন শিক্ষার্থীকে জিজ্ঞাসা করলেই সাবলীলভাবে উত্তর দিতে পারবে। অথচ শিক্ষার্থীদের কেউই এই সাধারণ প্রশ্নগুলোর সঠিক জবাব দিতে পারে নাই। এটা আমাদের জন্য খুবই লজ্জাকর ও হাস্যকর ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে বটে।

কিন্তু এতে জাতির শিক্ষা ব্যবস্থা যে ধ্বংস হয়ে গিয়েছে বলা হচ্ছে এ কথাটা সত্য বা সঠিক নয়। কারণ মুষ্টিমেয় কয়েকজন শিক্ষার্থীর দায় আমাদের পুরো জাতির বা সরকারের নয় বা আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থার নয়। শিক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস করা হচ্ছে, শিক্ষার ক্ষতি করা হচ্ছে এসকল কথা মোটেও সঠিক নয়। আমরা দেখেছি ইতোপূর্বে সারা বাংলাদেশে পরীক্ষা কেন্দ্রগুলোতে কি পরিমাণ নকলের প্রবণতা বিদ্যমান ছিল।

বর্তমানে ও আমাদের পরীক্ষাগুলোতে নকল প্রবণতা বিদ্যমান রয়েছে কিন্তু সেই পরিমাণটা খুবই সামান্য। সরকারসহ সবার ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় নকল প্রবণতা রোধ তথা নকল বহুলাংশে কমিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে। প্রশ্ন পত্র ফাঁস ও শিক্ষক নিয়োগে দূর্নীতি অনিয়মও সকলের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় ভবিষ্যতে দূর করা সম্ভব হবে বলে আমরা আশা করছি। উল্লেখিত বিষযে পক্ষে বিপক্ষে অনেক যুক্তি-তর্কই উপস্থাপন করা যায় বিতর্ক প্রতিযোগীতার ন্যায়। কোন একটি বিষয় নিয়ে এত হৈ-চৈ-এর দরকার আছে বলে আমি মনে করিনা।

পূর্বের চাইতে বর্তমান শিক্ষা তথা শিক্ষা ব্যবস্থা অনেক অনেক গুণ ভালো তথা মানসম্পন্ন। প্রশ্ন পত্র ফাঁস, শিক্ষক নিয়োগে দূর্নীতি অনিয়মসহ বিভিন্ন বিষয়গুলো পুর্বেও ছিল এখনও আছে। বরঞ্চ এখনকার তুলনায় পূর্বে এসকল বিষয় আরও ব্যাপক ছিল। কিন্তু এখনকার মত পূর্বে এসকল বিষয়ে নিউজ এত ব্যাপকভাবে পেপার-পত্রিকা ও টিভি চ্যানেলে আসতনা। এখন বাংলাদেশে ৩০/৩৫ টি টিভি চ্যানেল আর পত্রিকা প্রায় দু‘শরও (অন লাইন পত্রিকাসহ) বেশি হবে। কোন একটি তুচ্ছ ঘটনা ঘটলে সেই ঘটনার খবর সকল পত্র-পত্রিকা ও টিভি চ্যানেলে সংগে সংগে এসে যায়। মুহুর্তের মধ্যেই ঘটনাটা সারাদেশসহ বিশ্বে ছড়িয়ে যায়। কোন কোন চ্যানেল এবং পত্রিকা ঐসকল ঘটনায় রং চং লাগিয়ে অতি আকর্ষণীয়ভাবে উপস্থাপন করে শুধুমাত্র নিজস্ব প্রচার ও প্রসার পাওয়ার জন্য। এসকল দিক বিবেচনা করে আমরা আর একটি বিষয় বলতে পারি যে, গণমাধ্যমগুলোর সংবাদ প্রচারের স্বাধীনতা অনেক বেড়েছে, যা আগে ছিল না।

আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নতি করতে চাইলে শুধু সরকার ও শিক্ষা ব্যবস্থার সাথে সংশ্লিষ্টদের উপর নির্ভর করলেই চলবেনা। এক্ষেত্রে আমাদেরও এগিয়ে আসতে হবে। আমাদের দেশে সব কিছু সুষ্টুভাবে পরিচালনার জন্য সুন্দর নিয়ম ও নীতিমালা এবং কঠোরতম আইন আছে। কিন্তু সকল ক্ষেত্রে তার প্রয়োগ কি আছে ? যেমন- আমাদের দেশে প্রকাশ্যে ধুমপান করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। প্রকাশ্যে ধুমপান করলে জেল-জরিমনার বিধান রয়েছে। কিন্তু তার কি কোন প্রয়োগ আছে ? যারা আইন প্রয়োগ করেন তারাই যদি প্রকাশ্যে ধুম-পান করেন, তাহলে সাধারণ জনগণ কি করবে ? এদেশে আইনের লোক দ্বারা আইন ভঙ্গ করার ভূরি ভূরি উদাহরণ রয়েছে যা লিখে ও বলে শেষ করা যাবেনা।

আবার এও দেখা যায় যে, ভেজাল ও নকল ২নং ঔষধ ফার্মেসীগুলোতে অবাধে বিক্রি চলছে। যে ঔষধ সেবনে রোগীর রোগ ভালো হওয়াতো দূরে থাক ঐসকল নকল ও ভেজাল ২নং ঔষধ সেবন করলে মানুষ অবধারিতভাবে মৃত্যুবরণ করবে তা জেনেও ঔষধ ব্যবসায়ীরা নকল ২নং ভেজাল ঔষধ বিক্রি করা থেকে বিরত থাকেনা। কারণ নকল ২নং ভেজাল ঔষধে দ্বিগুণ থেকে তিনগুণ পর্যন্ত লাভ। এক্ষেত্রে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা যদি অভিযান চালায় এবং ঐসকল ভেজাল ও ২নং ঔষধ ব্যবসায়িকে গ্রেফতার করে কিংবা জরিমানা করে তাহলেই দেখবেন তখনকার তখনই একযোগে দোকান বন্ধ করে দিয়েছেন এবং একযোগে দাবি তুলেছেন যে গ্রেফতারকৃত ব্যবসায়ীর মুক্তি ও অভিযান পরিচালনা বন্ধ না করলে অনির্দিষ্টকালের জন্য দোকান বন্ধ করে দেয়া হলো। যেখানে আমাদের বাঁচা মরা নিয়ে কথা সেখানেই এই অবস্থা? আর অন্য জায়গা বা সেক্টরের কথা বাদই দিলাম।

আসলে মানুষের নৈতিকতা বলতে অবশিষ্ট আর কিছু আছে বলে মনে হয়না। যতদিন পর্যন্ত আমাদের নৈতিকতার পরিবর্তন না হবে ততদিন পর্যন্ত আমাদের সমাজের পরিবর্তন আসবেনা বা হবেনা। পরিবর্তন পরিবর্তন করে আমরা যতই গলা ফাটাই না কেন, যতদিন পর্যন্ত আমরা নিজেরা নিজেদের নৈতিকতার পরিবর্তন করতে না পারবো, ততদিন পর্যন্ত আমাদের সমাজ তথা রাষ্ট্রের পরিবর্তন হবেনা। কয়েকদিন হলো রাস্তায় বের হলেই আমাদের চোখে পড়ছে সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে রাস্তার পাশে কয়েক গজ দূরে দূরে বেশ সুন্দর এবং আকর্ষণনীয় ডাষ্টবিন লাগানো হয়েছে। কারণ আমরা রাস্তায় ময়লা আবর্জনা না ফেলে ডাষ্টবিনে ফেলি। কিন্তু আমরা কি দেখািছ ? আমরা সকলে কি ঐ ডাষ্টবিনগুলোতে ময়লা আবর্জনা ফেলছি? মোটেও না। তাহলে আমারেদর শহর পরিস্কার থাকবে কি করে ? উপরে আলোচিত বিষয়গুলোর ব্যাপারে প্রকৃত পক্ষে দায় কার ? আমরা একবার ভেবে দেখব কি ?
“Cheraity begins at home”– তাই পরিবর্তনটা শুরু করতে হবে আমাদের ঘর থেকেই। আগামী প্রজন্মকে যদি আমাদের সম্পদ মনে করি তবে তাকে সঠিকভাবে পরিচালনা ও পরিচর্যার দায় আমাদেরই। শুধু মাত্র পরীক্ষায় পাশ করে নামে মাত্র ভাল ছাত্র হলেই তাকে চলবে না, তাকে হতে হবে মানবিক গুনাবলীসম্পন্ন একজন ভালো মানুষ।

ভালো রেজাল্টের আশায় আমরা আমাদের সন্তানদের হাতে তুলে দিবো না রেডিমেট প্রশ্নপত্র, তাকে দিবো Quality time, তাকে ভাল রেজাল্ট করতে হবে-এই বোধটা তার ভিতরে তৈরি করতে হবে। ভালো রেজাল্ট এর জন্য অসুস্থ্য প্রতিযোগিতায় তাকে নামাবো না। পুথিগত বিদ্যার পাশাপাশি নিজের দেশ এবং বহিঃবিশ্ব সম্পর্কে তাকে জানতে হবে। তাকে বুঝাতে হবে পরীক্ষায় তুমি হয়ত ভাল রেজাল্ট সবসময় করবেনা, কিন্তু তার মানে এই নয় যে তুমি ভাল ছাত্র না।

কথায় আছে “একবার না পারিলে দেখ শতবার”- বাস্তব জীবনে একথাটার প্রয়োগ থাকতে হবে। আমরা তোমাদের সংঙ্গেই আছি। তোমরাই পরবে। তোমাদের কাছে জাতীর প্রত্যাশা অনেক।

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here