ভারতের ঝড়ে উড়ে গেলো পাকিস্তান

0
311

মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে এশিয়া কাপে পাকিস্তানকে ৫ উইকেটে হারিয়েছে ভারত। ১৭.৩ ওভারে ৮৩ রানেই গুটিয়ে গিয়েছিল পাকিস্তান। ভারত লক্ষ্য ছুঁয়ে ফেলে ২৭ বল বাকি রেখে।

dhoni & afridi the mail bd

ছোট্ট পুঁজি নিয়েও পাকিস্তানকে খানিকটা আশা দেখিয়েছিলেন আমির। গতি আর সুইংয়ে কাঁপিয়ে দিয়েছিলেন ভারতের টপ অর্ডার। কিন্তু এই ম্যাচ জিততে হলে পাকিস্তানের প্রয়োজন ছিল আমিরের মতো আরও ২-৩ জন বোলার।

ওয়াহাব রিয়াজ, মোহাম্মদ ইরফানরা পারেননি আমির হয়ে উঠতে। বরং প্রতিকূল উইকেট আর প্রচণ্ড চাপে মাঝে অসাধারণ ব্যাটিংয়ে ভারতকে জিতিয়েছেন বিরাট কোহলি। স্রেফ ৪৯ রানের রানের একটি টি-টোয়েন্টি ইনিংসেও যে কতটা সাহসিকতা, কতটা স্কিল ও কতটা নান্দনিকতা দেখানো যায়, সেটি প্রমাণ করেছেন তারকা এই ব্যাটসম্যান।

আমির উইকেট পেতে পারতেন প্রথম বলেই। তার দুর্দান্ত ইয়র্কার কিছু বুঝে ওঠার আগেই ছোবল দেয় রোহিত শর্মার পায়ে। প্রবল আবেদনেও আউট দেননি রচিরা পালিয়াগুরুগে। কিন্তু ওই ওভারেই শ্রীলঙ্কান আম্পায়ারকে দুবার আঙুল তুলতে বাধ্য করেন আমির। একইরকম ভেতরে ঢোকা দুই বলে আউট রোহিত (০) ও শিখর ধাওয়ানের চোটে সুযোগ পাওয়া অজিঙ্কা রাহানে (০)।

নিজের পরের ওভারে আমির ফিরিয়ে দেন সুরেশ রায়নাকেও (১)। ভারত তখন ৩ উইকেটে ৮, ম্যাচে ফিরেছে প্রাণ। ওই সময়টুকু দাঁতে দাঁত চেপে কাটিয়ে দেন কোহলি ও যুবরাজ সিং। আমিরের শেষ ওভারে দারুণ দুটি চার মারেন কোহলি।

আমিরের চার ওভারের টানা স্পেল শেষ হতেই আরও হাত খোলেন দুজন। ওয়াহাব রিয়াজের প্রথম ওভারেই তিনটি চারে চাপটাকে দূরে ঠেলে দেন কোহলি-যুবরাজ। প্রাপ্য অর্ধশতকটি কোহলি পাননি আম্পায়ার পালিয়াগুরুগের ভুল সিদ্ধান্তে। ব্যাটে লেগে বল প্যাডে লাগার পরও দেওয়া হয় এলবিডব্লিউ (৪৯)।

এক বল পর হার্দিক পান্ডিয়াকেও (০) ফিরিয়ে দেন সামি। তবে ভারত তখন জয়ের নাগালে। ওয়াহাবকে বাউন্ডারি মেরে দলকে জয় এনে দেন ধোনি। যুবরাজ অপরাজিত ছিলেন ১৪ রানে।

উইকেট যথারীতি ছিল সবুজাভ। তবে ম্যাচের স্কোরকার্ড যেমন বলছে, ততটা ‘মাইনফিল্ড’ অবশ্যই নয়। টস হারার পর পাকিস্তান অধিনায়ক শহিদ আফ্রিদিও বলেছিলেন, টস জিতলে ব্যাটিংই করতেন তারা।

 

পাকিস্তানের রান তখন ৫ উইকেটে ৩৫। রবীন্দ্র জাদেজার গুলির বেগে থ্রোতে আফ্রিদি রান আউট হলে স্কোর হয়ে যায় ৬ উইকেটে ৪২!

বিপর্যয়ে যা একটু লড়েন সরফরাজ আহমেদ। ২৫ রান করে এই উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান আউট জাদেজার বলে বাজে এক শটে।

দ্বিতীয় স্পেলে ফিরে পান্ডিয়া মুড়িয়ে দেন লেজ। ৮ রানে ৩ উইকেট নিয়ে সফলতম বোলার নবীন এই পেস বোলিং অলরাউন্ডারই। ১১ রানে দুটি উইকেট নিয়েছেন জাদেজা। নেহরা, বুমরাহ ও যুবরাজ একটি করে।

এই ৮৩ রান, আগে ব্যাট করে টি-টোয়েন্টিতে পাকিস্তানের সর্বনিম্ন ইনিংস। আমিরের সৌজন্যে লড়াই হয়েছে শুরুতে। কিন্ত ম্যাচ জেতার জন্য পুঁজিটা বড্ড কম ছিল। টানা দ্বিতীয় জয়ে তাই ফাইনালের পথে রয়েছে ভারত।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here