26 C
Dhaka
বুধবার, ফেব্রুয়ারি ৮, ২০২৩

প্রধান বিচারপতির কাছে চিঠি পাঠিয়েছেন বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী

যা যা মিস করেছেন

সদ্য বিদায়ী আপিল বিভাগের বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী অবসরের পর তার লেখা পূর্ণাঙ্গ রায় ও আদেশ গ্রহণ করতে একটি চিঠি পাঠিয়েছেন প্রধান বিচারপতি বরাবর।

Justice the mail bd

আজ রবিবার সকাল ১১টার দিকে ব্যক্তিগত পিয়নের মাধ্যমে এ চিঠি পাঠান বলে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন তিনি।

এর আগে, অবসরের পর যেসব রায় লেখার জন্য বাকি ছিল, সেগুলোতে আর স্বাক্ষর করতে দেওয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ করেন আপিল বিভাগের সাবেক বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী।  তিনি বলেন, আমাকে স্বাক্ষর করতে না দেওয়া হলে সেগুলো আইনের দৃষ্টিতে রায় হিসেবে গণ্য হবে না।

শনিবার এক বেসরকারী টিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সাবেক বিচারপতি এ অভিযোগ করেন।

রায় লেখার পর জমা দিতে গেলেও তা নেওয়া হয়নি বলে জানান শামসুদ্দিন চৌধুরী।  এ জন্য দুই দফা চিঠিও দেওয়া হয়েছে।  এসব অভিযোগ করে সাবেক এ বিচারপতি বলেন, যেহেতু প্রধান বিচারপতি তাকে নির্দেশ দিয়েছেন, কোনো অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি রায় লিখতে পারবেন না।  এবং সে কারণেই আমার লেখা রায় গ্রহণ করতে অপারগতা প্রকাশ করেছেন।  উনি বলেছেন, যেহেতু এটা প্রধান বিচারপতি নির্দেশ দিয়েছেন, এটা অমান্য করা কঠিন।

বর্তমান আইনমন্ত্রী আনিসুল হক এবং সাবেক আইনমন্ত্রী শফিক আহমেদও বলেছেন, বিচারপতিদের অবসরের পর রায় লেখার দীর্ঘদিনের এই চর্চায় কোনো সমস্যা  তারা দেখেন না।

এই আলোচনার মধ্যেই গত ২৯ জানুয়ারি বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের সঙ্গে নৈশভোজে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, যাতে প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহা, আইনমন্ত্রী আনিসুল হক ও অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলমও ছিলেন।

তবে ওই নৈশভোজের বিষয়ে রাষ্ট্রপতির কার্যালয় কিংবা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য আসেনি।

গত বছর ১ অক্টোবর অবসরে যাওয়ার সময় বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরীর ১৫টি রায় ও ৭০টি আদেশ লেখা বাকি ছিল।  সেগুলো প্রধান বিচারপতির কাছে পাঠিয়ে দেওয়ার পর তিনি বলেছেন, সহযোগিতার জন্য এখন কোনো কর্মী না থাকায় রায়গুলো হাতেই লিখতে হয়েছে।

অবসরের আগে বিচারপতি শামসুদ্দিন আপিল বিভাগের যে বেঞ্চে দায়িত্বরত ছিলেন, সেই বেঞ্চের ‘প্রিজাইডিং জাজ’ হিসেবে আছেন বিচারপতি এম ওয়াহাব মিয়া।

“ওয়াহাব মিয়ার মাধ্যমে ওই রায়গুলো গ্রহণ করতে বলেছি চিঠিতে,” বলেন শামসুদ্দিন চৌধুরী।

 

More articles

সর্বশেষ