26 C
Dhaka
বুধবার, ফেব্রুয়ারি ৮, ২০২৩

সবার উপর শিক্ষকঃ প্রধানমন্ত্রী

যা যা মিস করেছেন

পদমর্যাদা ও বেতনভাতা নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের আন্দোলনের মধ্যেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, শিক্ষকদের সম্মান সবসময়ই সবার ওপরে। বুধবার পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃতি শিক্ষার্থীদের মধ্যে পদক বিতরণ উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, “সম্মানিত শিক্ষকরা সমাজের বিবেক। শিক্ষকদের সম্মান সবসময়ই সর্বোচ্চ। তাদের তুলনা কিন্তু কারও সাথে চলে না। কারণ শিক্ষকরা শিক্ষকই।”

seikh hasina the mail bd

অষ্টম বেতন কাঠামো ঘোষণার পর থেকেই গ্রেডে মর্যাদার অবনমন এবং টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড বাতিলের প্রতিবাদে আন্দোলনে রয়েছেন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা।

৩৭টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতিগুলোর ফোরাম বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশন গত শনিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বৈঠক করে ৭ জানুয়ারি সারা দেশের সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে দুই ঘণ্টা কর্মবিরতি ও অবস্থান কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দেয়।
দাবি আদায় না হলে ১১ জানুয়ারি থেকে লাগাতার কর্মবিরতি পালনেরও সিদ্ধান্ত রয়েছে এ সংগঠনের।

প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে শিক্ষকদের সেই আন্দোলনের প্রসঙ্গ আনেননি। তিনি বলেন, “আমরা যত বড়ই হই না কেন, এখনও যদি আমাদের শিক্ষকদের দেখি, মাথা নুয়ে আসে।”

প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে এ অনুষ্ঠানে ২০১১ সালের ৭৪ জন এবং ২০১২ সালের ৯২ জন মেধাবী শিক্ষার্থীর হাতে স্বর্ণপদক তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী।

দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মেধাবী শিক্ষার্থীদের উৎসাহ দিতে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন ২০০৬ সাল থেকে ‘প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক’ দিয়ে আসছে।

পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক পর্যায়ে প্রতিটি অনুষদে সর্বোচ্চ নম্বরপ্রাপ্তরা এই পদকের জন্য মনোনীত হন।

বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন আয়োজিত অনুষ্ঠানে জাতীয় অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামান এবং নজরুল গবেষক রফিকুল ইসলাম দর্শকসারিতে ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী শিক্ষকদের দিকে তাকিয়ে বলেন, “তাদের কাছ থেকেই তো শিক্ষা পেয়েছি। আমি প্রধানমন্ত্রী হতে পারি। কিন্তু আমার শিক্ষকদের সম্মান অনেক ওপরে- আমি এটুকু বলতে পারি।”
শেখ হাসিনা তুলনামূলকভাবে বেশি নারী শিক্ষার্থী পদক পাওয়ায় এবং মেধাবীদের হাতে নিজে পদক তুলে দিতে পেরে আনন্দ প্রকাশ করেন।

 

৩৩২ কোটি ১৪ লাখ টাকা ব্যয়ে উচ্চগতিসম্পন্ন ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিশ্ব জ্ঞানভান্ডারের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনের কথাও উল্লেখ করে তিনি বলেন, “উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ডিজিটাল পুস্তক ও জার্নাল সহজলভ্য করা হয়েছে। ভার্চুয়াল প্রযুক্তির মাধ্যমে বিশ্বখ্যাত শিক্ষাবিদদের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করা হয়েছে। শ্রমিকদের ঘামের টাকায় রাষ্ট্র চলে। খেটে খাওয়া মানুষের অর্থের বিনিময়ে দেশ চলছে। তৃণমূলের মানুষকে কতটুকু দিতে পারলাম- সেটাই মূল কথা।”
বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবদুল মান্নানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বক্তব্য দেন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন মঞ্জুরি কমিশনের সদস্য দিল আফরোজা বেগম।

পদকপ্রাপ্তদের মধ্যে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞানের ছাত্রী অথৈ নীলিমা এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োকেমিস্ট্রি ও মলিকিউলার বায়োলজির মোহাম্মদ মামুনুর রশিদ মাহী তাদের অনুভূতি প্রকাশ করেন।

More articles

সর্বশেষ