জীবাণু সংক্রমণ আর নয়, স্পর্শ ছাড়াই বাজবে কলিং বেল! – দ্যা মেইল বিডি / খবর সবসময়
প্রকৃতি-পরিবেশবিজ্ঞান - প্রযুক্তি

জীবাণু সংক্রমণ আর নয়, স্পর্শ ছাড়াই বাজবে কলিং বেল!

বিশ্বজুড়ে আতঙ্কের সৃষ্টি করেছে মারাত্মক ছোঁয়াচে করোনাভাইরাস। দ্রুত ছড়িয়ে পড়া এই ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে বাঁচতে দেশে দেশে চলছে লকডাউন। কোথাও স্পর্শ করলে সঙ্গে সঙ্গে ২০ সেকেন্ড ধরে হাত ধুয়ে ফেলার কথা বলছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। তবে এই ভাইরাসের বিরুদ্ধে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা হিসাবে দিল্লির ১৬ বছর বয়সের এক কিশোর আবিষ্কার করে ফেলেছেন স্পর্শবিহীন স্বয়ংক্রিয় কলিংবেল। এখন আর ডোরবেল বাজাতে হাতের স্পর্শের কোন প্রয়োজন হবে না। ফলে হাতের মাধ্যমে করোনা ছড়ানোর সম্ভাবনাও অনেক কমে গেল।

নয়াদিল্লির শালিমার বাগ মডার্ন পাবলিক স্কুলের একাদশ শ্রেণির ছাত্র সার্থক জৈন এই ডোরবেল আবিষ্কার করে সকলকে চমকে দিয়েছেন। করোনাভাইরাসের সংক্রমণ থেকে মানুষকে রক্ষায় এই ডোরবেলটি ডিজাইন করেছেন জৈন। তার মতে এটি আলট্রা সেন্সর সমৃদ্ধ একটি স্বয়ংক্রিয় টাচলেস ডোরবেল। সেন্সরটি ৩০ থেকে ৫০ সেন্টিমিটার দূরত্বে কোনও ব্যক্তি বা বস্তুর উপস্থিতি সনাক্ত করতে পারে। বেলটি স্পর্শ না করলেও এটি বুঝতে পারে এবং শব্দ উৎপাদন শুরু করে।

জৈন বলেছিলেন, ‘আমি ডোরবেলটিতে এমনভাবে প্রোগ্রাম করেছিলাম যে যখন আল্ট্রাসোনিক সেন্সরটি ৫০ সেন্টিমিটারের পরিসরে কোনও ব্যক্তির উপস্থিতি সনাক্ত করবে এবং শব্দ তৈরি করে প্রতিক্রিয়া জানাবে।

ডোরবেল বানানোর ভাবনাটি কিভাবে মাথায় এলো জানতে চাইলে জৈন বলেন, ‘করোনা মহামারির মধ্যে আমি দেখি প্রত্যেকেই বাড়িতে বা বারান্দায় থাকাকালীন মাস্ক পরে থাকে। এটি আমাকে এই ভাইরাসটি আমার বাড়িতে আনার সম্ভাব্য সমস্ত উপায় চিন্তা করতে বাধ্য করেছিল। আমার মনে হয়েছিল ডোরবেলও সম্ভাব্য বাহক হতে পারে। তাই আমি এমন একটি স্মার্ট ডোরবেল ডিজাইন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’

১৬ বছরের ছেলেটির মতে, ডোরবেল ভাইরাস স্থানান্তর করার একটি মাধ্যম, কারণ এটি আমাদের প্রতিদিনের রুটিনে সর্বাধিকবার ব্যবহৃত হয় তাই ভাইরাসের ছড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। এই বিষয়টি মাথায় রেখেই আমি এই প্রকল্পটি তৈরি করেছি যাতে এটি এই বিশ্বকে বাঁচানোর অংশে পরিণত হতে পারে।

সূত্র- হিন্দুস্তান টাইমস।

Show More

এই বিভাগের আর খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Close